আজকাল ...">
আজকাল অনেকেই নিজেকে সুন্দর দেখাতে নানারকম পন্থা অবলম্বন করেন। তার মধ্যে ওয়াক্সিংও একটি। আসলে এটি ত্বকের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম দূর করার একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। তবে ওয়াক্সিংয়ের পর ত্বক কিছুটা সংবেদনশীল বা সেনসেটিভ হয়ে পড়ে। সঠিক যত্ন না নিলে লালচে ভাব, জ্বালা, র্যাশ বা ছোট ছোট ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ওয়াক্সিংয়ের পর ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একদম শুরুতেই ওয়াক্সিংয়ের পরপরই ত্বক ঠান্ডা রাখতে হবে। ঠান্ডা জল দিয়ে হালকা করে ধুয়ে নেওয়া বা পরিষ্কার কাপড়ে বরফ জড়িয়ে কিছুক্ষণ সেঁক দিলে জ্বালা ও লালচে ভাব কমে। অনেক সময় অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ত্বক দ্রুত শান্ত হয় এবং আর্দ্রতা বজায় থাকে।
ওয়াক্সিংয়ের পর কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা রোদে সরাসরি যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ তখন ত্বক বেশি সংবেদনশীল থাকে এবং সহজেই রোদে পোড়া দাগ পড়তে পারে। বাইরে যেতে হলে অবশ্যই হালকা ও মৃদু সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। ত্বকে যেন ঘাম বা ময়লা জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ওয়াক্সিংয়ের পর একদিন ভারী ব্যায়াম বা অতিরিক্ত ঘাম হয় এমন কাজ না করাই ভালো। টাইট বা আঁটসাঁট পোশাক এড়িয়ে ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরা উচিত, যাতে ত্বক শ্বাস নিতে পারে।
ওয়াক্সিংয়ের পরপরই কোনো কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা ঠিক নয়। সুগন্ধিযুক্ত লোশন বা পারফিউম ত্বকে জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। মৃদু, অ্যালকোহলমুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করাই উত্তম। সবশেষে, দুই-তিন দিন পর হালকা এক্সফোলিয়েশন করলে ইনগ্রোন হেয়ার হওয়ার ঝুঁকি কমে। তবে খুব জোরে ঘষাঘষি করা উচিত নয়। সঠিক যত্ন নিলে ওয়াক্সিংয়ের পর ত্বক থাকবে মসৃণ, সতেজ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। তাই সুন্দর ত্বকের জন্য নিয়ম মেনে যত্ন নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।