মেয়েরা সঠিকভাবে মেকআপ করুক কিংবা না করুক যদি হালকা লিপস্টিক কাজল এবং লাইনার পরে তাতেই যেন কত সুন্দর হয়ে ওঠে মেয়েদের দেখতে। এমনকি অনেক সময় এও বলা হয় যে, প্রেমিকদের হৃদয়ে ঝড় তুলতে নাকি একটা লিপস্টিকি কাফি। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে অনেকেই বুঝতে পারে না কাদের জন্য কেমন লিপস্টিক প্রয়োজন? কিংবা কোন ধরনের ত্বকের ক্ষেত্রে কেমন লিপস্টিক মানাবে? বিয়ে রাগ করে বলছি লিপস্টিক পড়ার আগে মাথায় রাখতে হবে এটা আপনার ব্যক্তিত্বের একটা বড় অংশ। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কোন লিপস্টিক বেছে নেওয়া উচিত?
ম্যাট লিপস্টিক:
ম্যাট লিপস্টিক কেনা কিংবা পড়ার আগে জানতে হবে কাদের জন্য উপযুক্ত এই ধরণের লিপস্টিক। ম্যাট লিপস্টিক অনেকক্ষণ একইরকম থাকে, এমনকি, সহজে ছড়িয়ে যায় না। দীর্ঘক্ষণের ইভেন্ট, পার্টি কিংবা রোজের অফিসে পরে যাওয়ার জন্য খুব ভালো। যদি কারোর ঠিক খুব শুকনো না হলে সরাসরি ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করা যেতে পারে। আর, যদি কারোর ত্বক খুব শুস্ক হয় তাহলে সরাসরি ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করার আগে লিপ বাম বা লিপ মাস্ক অবশ্যই লাগিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
গ্লসি লিপস্টিক:
এই ধরণের লিপস্টিক ঠোঁটকে ভরাট, নরম ও সতেজ দেখায়। যাঁদের ঠোঁট পাতলা তাঁদের জন্য গ্লসি লিপস্টিক বেশ ভালোই মানায়। তবে গ্লসি লিপস্টিক দীর্ঘক্ষণ থাকে না। দিনের বেলায় কিংবা দিনের বেলায় হালকা মেকআপের সঙ্গে খুব সুন্দর মানায়।
তবে, ঠোঁটকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হালকা মেকআপের সঙ্গে হালকা করে ঠোঁটে স্ক্রাব করা উচিত। স্ক্রাব করলে ঠোঁটের মৃত চামড়া সহজেই উঠতে সাহায্য করে। চিনি ও মধু দিয়ে স্ক্রাব করলে ঠোঁটের আদ্রতা বজায় থাকে। আবার, জল কম খেলেও ঠোঁট শুকিয়ে যেতে পারে। তাই, রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খাওয়া দরকার। লিপস্টিক লাগানোর সময় যদি কয়েকটি ছোট্ট ট্রিক ব্যবহার করা যায় তাহলে লুক বদলে যেতে পারে। প্রথমে লিপ লাইনার লাগানোর পর লিপস্টিক লাগালে তা ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবনা থাকে না। ম্যাট লিপস্টিক লাগানোর পর হালকা ব্লট করলে রঙ আরও গাঢ় ও টেকসই হবে। ম্যাট বা গ্লসি—দুটোই ঠোঁটের ধরন, ত্বকের অবস্থার ওপর নির্ভর করে ব্যবহার করা উচিত।