উজ্জ্ব...">
উজ্জ্বল ও সুস্থ ত্বক আমরা কে না চাই বলুন তো? আর সেটা পেতে গিয়ে পেতে আমরা অনেক সময় অনেক দামি প্রসাধনীর ওপর নির্ভর করি, অথচ আমাদের ঘরেই রয়েছে ত্বকের যত্নে উপকারী নানা প্রাকৃতিক পানীয়। নিয়মিত সঠিক ঘরোয়া পানীয় গ্রহণ করলে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার থাকে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে ত্বকের উজ্জ্বলতায়। তেমনই কিছু পানীয় নিয়েই আলোচনা করব আজ।
প্রথমেই বলা যায় পর্যাপ্ত জল পান করার কথা। জল শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত জল পান করলে ত্বক থাকে সতেজ, মসৃণ ও উজ্জ্বল। লেবুর জল ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের দাগ কমাতে ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। সকালে খালি পেটে হালকা গরম জলে লেবুর রস ও সামান্য মধু মিশিয়ে পান করলে ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার হয়। শসার রস ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে দারুণ কার্যকর। শসায় রয়েছে প্রচুর জল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বককে ঠান্ডা রাখে এবং রোদে পোড়া ভাব কমায়। নিয়মিত শসার রস পান করলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও সতেজ।
ডাবের জল আরেকটি জনপ্রিয় ঘরোয়া পানীয়। এতে থাকা প্রাকৃতিক মিনারেল ও ইলেকট্রোলাইট ত্বকের কোষকে পুষ্টি জোগায় এবং ত্বককে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয়। ব্রণ বা ত্বকের প্রদাহ কমাতেও ডাবের জল উপকারী। গ্রিন টি ত্বকের বার্ধক্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতি রোধ করে এবং উজ্জ্বলতা বজায় রাখে। দিনে এক থেকে দুই কাপ গ্রিন টি পান করলেই উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়া বিটরুট ও গাজরের রস রক্ত পরিষ্কার করে ত্বকে স্বাভাবিক লালচে আভা এনে দেয়। এসব রসে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফলে বুঝতেই পারছেন নিয়মিত ঘরোয়া পানীয় পান করলে ত্বক ভেতর থেকে সুস্থ ও উজ্জ্বল হয়। সঙ্গে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত ঘুম থাকলে ত্বকের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পায়।