বসন্তের হাওয়া বইলেই ত্বকের আর্দ্রতা উবে যায়। রোদ আর শুষ্ক বাতাস মিলিয়ে মুখ হয়ে পড়ে খসখসে, প্রাণহীন। দামি ময়েশ্চারাইজারেও যখন কাজ হয় না, তখন সমাধান লুকিয়ে থাকে আমাদের রান্নাঘরেই। আয়ুর্বেদ মতে, ঘি ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায়, স্বাভাবিক আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। তবে গরমে সরাসরি ঘি না মেখে, অন্য উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ঘিয়ের ৪ কার্যকরী ফেসপ্যাক-
১) ঘি, চন্দন ও হলুদ ফেসপ্যাক
১ চামচ চন্দন গুঁড়ো, এক চিমটি হলুদ ও প্রয়োজনমতো ঘি মিশিয়ে পেস্ট বানান। মুখে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ডিহাইড্রেটেড ত্বকে তাৎক্ষণিক জেল্লা আনে।
২) বেসন-ঘি প্যাক
১.৫ চামচ বেসনের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম জলে ধুয়ে নিন। নিস্তেজ ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে দেয়।
৩) ঘি, মসুর ডাল ও কাঁচা দুধ স্ক্রাব
সমপরিমাণ মসুর ডাল বাটা, কাঁচা দুধ ও ঘি মিশিয়ে ২০ মিনিট লাগান। এটি মৃত কোষ সরিয়ে ত্বককে মসৃণ করে, ঘর্ষণজনিত রুক্ষতা কমায়।
৪) ঘি, মধু ও দুধের অ্যান্টি-এজিং প্যাক
১ চামচ মধু, ১ চামচ ঘি ও কয়েক ফোঁটা কাঁচা দুধ মিশিয়ে লাগান। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বলিরেখা ও পিগমেন্টেশন কমাতে কার্যকর।
বাজারি ফেস অয়েলের চেয়ে ঘি অনেক বেশি নিরাপদ ও পুষ্টিকর। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে নরম, দাগহীন ও দীপ্তিময়। তাই কেমিক্যাল নয়, ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক ঘিয়ের জাদুতেই।