চুলে হেয়ার কালার ব্যবহার করার পর অনেকেরই চুল রুক্ষ, শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। এর মূল কারণ হলো হেয়ার কালারে থাকা কেমিক্যাল, যা চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়। তবে কিছু সহজ যত্ন নিলে আবার চুলকে নরম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করা সম্ভব।
প্রথমত, নিয়মিত তেল ব্যবহার করা খুবই জরুরি। নারকেল তেল, বাদাম তেল বা অলিভ অয়েল চুলের গভীরে পুষ্টি জোগায়। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন তেল হালকা গরম করে মাথায় ম্যাসাজ করলে চুলের রুক্ষতা কমে এবং চুল মসৃণ হয়।
দ্বিতীয়ত, মাইল্ড বা সালফেট-ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। বেশি কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু চুলকে আরও শুষ্ক করে তোলে। শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই ভালো কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে, যাতে চুলের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
তৃতীয়ত, প্রাকৃতিক হেয়ার প্যাক ব্যবহার করা খুব উপকারী। ডিম, দই, মধু বা অ্যালোভেরা দিয়ে তৈরি হেয়ার মাস্ক সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলে চুলে প্রাকৃতিক পুষ্টি ফিরে আসে। এগুলো চুলকে নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
চতুর্থত, অতিরিক্ত হিট ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত। হেয়ার ড্রায়ার, স্ট্রেইটনার বা কার্লার বেশি ব্যবহার করলে চুল আরও ড্যামেজ হয়। তাই সম্ভব হলে প্রাকৃতিকভাবে চুল শুকানো ভালো।
পঞ্চমত, পর্যাপ্ত জল পান ও সুষম খাদ্য গ্রহণ করাও জরুরি। ভিটামিন ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিম, মাছ, বাদাম, শাকসবজি চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
নিয়মিত ট্রিম করা দরকার। চুলের ডগা ফেটে গেলে তা কেটে ফেললে চুল দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।
সঠিক যত্ন ও নিয়ম মেনে চললে হেয়ার কালার করার পরও চুলকে আবার নরম, মসৃণ ও প্রাণবন্ত করা সম্ভব।