মেয়েদে...">
মেয়েদের মধ্যে কারোর কারোর কাছে মেকআপ করা সখের। আবার কারোর কাছে মেকআপ করা পেশার খাতিরে প্রয়োজনীয়তা। কিন্তু সখ হোক বা প্রয়োজনীয়তা, মেকআপের জিনিস পরিষ্কার পিরচ্ছন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। ফলে সেসবের মধ্যে মেকআপ ব্রাশ আমাদের দৈনন্দিন সৌন্দর্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, নোংরা ব্রাশ ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। ব্রাশে জমে থাকা মেকআপ, তেল, ধুলো ও ব্যাকটেরিয়া ব্রণ, র্যাশ বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। তাই নিয়মিত মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি।
প্রতিবার ব্যবহার করার পর ব্রাশে ফাউন্ডেশন, পাউডার, ব্লাশ বা আইশ্যাডোর অবশিষ্টাংশ থেকে যায়। এগুলো জমতে জমতে জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ঘটায়। বিশেষ করে লিকুইড বা ক্রিমজাতীয় পণ্য ব্যবহারের ব্রাশ দ্রুত নোংরা হয়। পরিষ্কার না করলে ত্বকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। কিন্তু সেসব যেন আপনার না হয়, তারজন্যই নিজের মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার রাখতে হবে নিজেকেই। এবার প্রশ্ন হল কী করবেন আপনার ব্রাশ পরিষ্কার রাখতে হলে?
হালকা শ্যাম্পু বা ক্লিনজার ব্যবহার করুন: একটি বাটিতে কুসুম গরম জল নিয়ে তার সঙ্গে অল্প বেবি শ্যাম্পু বা মাইল্ড ফেসওয়াশ মিশিয়ে নিন। ব্রাশের ব্রিসল অংশ জলে ডুবিয়ে আলতোভাবে ঘুরিয়ে পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখবেন, ব্রাশের হাতল বা ধাতব অংশ যেন বেশি ভিজে না যায়।
ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন: পরিষ্কার জলে ব্রাশ ধুয়ে নিন যতক্ষণ না ফেনা পুরোপুরি মেকআপগুলো পুরো বেরিয়ে যায়।
সঠিকভাবে শুকান: ব্রাশ তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে অতিরিক্ত জল বের করে নিন। এরপর সমতল জায়গায় শুইয়ে শুকাতে দিন। কখনোই ব্রাশ দাঁড় করিয়ে শুকাবেন না, এতে ভেতরে জল ঢুকে আঠা ঢিলে হয়ে যেতে পারে।
এবার আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে কীভাবে পরিষ্কার করতে হবে তা তো বোঝা গেল। কিন্তু কত দিন পর পর এইভাবে পরিষ্কার করা উচিত ব্রাশগুলি? আসলে লিকুইড বা ক্রিম পণ্যের ব্রাশ সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করা উচিত। আর পাউডার ব্রাশ ১০–১৫ দিন অন্তর ধুলে ভালো থাকে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের পাশাপাশি পার্লারে ব্যবহার করলে আরও বেশি সতর্কতা প্রয়োজন। পরিষ্কার মেকআপ ব্রাশ শুধু ত্বককে সুরক্ষিত রাখে না, বরং মেকআপের ফিনিশও সুন্দর করে। তাই নিজের সৌন্দর্য ও স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মিত ব্রাশ পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।