যত্নের অভাব হচ্ছে না, সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই ত্বককে ভালো রাখার জন্য যে যা বলছে তাই করা হচ্ছে। এছাড়াও রোজ নিয়মমাফিক স্কিন কেয়ারের রুটিনও ভালোভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। এতকিছু পড়েও যে খুব একটা ফলপ্রসূ কিছু হচ্ছে তা নয়। কিন্তু এদিকে টক গুরিয়ে যাওয়া কিংবা চুল পাকা হয়ে যাওয়ার মতন সমস্যার দেখা দিচ্ছে নতুন প্রজন্মের মধ্যে। এছাড়াও ব্রণ, রাশ কিংবা ব্রণের দাগ এই সব ধরনের সমস্যা তো আগে থেকেই ছিলই। তাই এইসব সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন ধরনের পথ অবলম্বন করেও খুব একটা লাভ কিছু হচ্ছে না। এমন সময় ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছে, ত্বকের যত্ন করার জন্য শুধু বাহ্যিকভাবেই যত্ন নিলে হবে না। নজর দিতে হবে নিজের খাদ্য তালিকাতে ও। অর্থাৎ ডায়েটে ও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। প্রসঙ্গত অনেকেই হয়তো জানে না, আমাদের রোজকারের খাবারের মধ্যে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা কিনা নিয়মিত খেলে ত্বকের ক্ষতি করে দিতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন খাবার খেলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে?
১) পাউরুটি যেহেতু একটি ময়দাজাত খাবার সেহেতু এতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে। তাই, এটা রোজ খেলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি হতে পারে। এছাড়াও, এই খাদ্য উপাদান প্রদাহজনিত সমস্যাও বৃদ্ধি হতে পারে। এর ফলে, সেবাম ক্ষরণের মাত্রাও বাড়তে থাকে। ছাড়াও, হোয়াইডহেডস, ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস-এর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২) বেশি ভাজাভাুজি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য তো একেবারেট স্বাস্থ্যকর নয়। এমনকি, ত্বকের জন্য ভালো নয়। কারণ, অবশ্যই তেল। এর সঙ্গে নুন-চিনিও শরীরে অতিরিক্ত গেলে ভালো প্রভাব ফেলে না। দিনের পর দিন এই ধরনের খাবার খেলে প্রদাহজনিত সমস্যা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ক্ষতি করে থাকে।
৩) চকোলেট যাঁরা খেতে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য বলে রাখা ভালো স্বাস্থ্যের জন্য ডার্ক চকলেট খাদ্য তালিকায় রাখা গেলেও মিল্ক চকোলেটকে সেই তালিকায় রাখা যাবে না। কারণ, এই চকলেটে চিনি এবং দুধ দুই থাকায় ত্বকের ক্ষতি করার জন্য যথেষ্ট।
৪) কেউ যদি শরীরে বাড়তি মেদ জমতে দিতে না চায় তাহলে ফ্যাট-ফ্রি স্কিম মিল্ক খাওয়া যেতে পারে। কারণ, স্কিম মিল্ককে প্রাথমিকভাবে স্বাস্থকর মনে হলেও পরবর্তীতে তা ত্বকের জন্য মোটেও ভালো করে না।