আর কিছু দিনের মধ্যেই রীতিমতো গরম অনুভব করবে কলকাতাবাসী। কেবল তিলোত্তমাই নয়, মার্চ-এপ্রিল আসতে না আসতেই চারিদিকে গরমের জন্য নাজেহাল অবস্থা তৈরি হবে সকলের মধ্যে। এদিকে, আবার গরমকে উপেক্ষা করেও সকলকেই নিজের কাজ করে যেতে হবে। প্রসঙ্গত, এই গরমে রাস্তায় বেরনো মানেই রোদে হাত-পা পুড়ে একেবারে বিচ্ছিরি রকমের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
এমন সময় অনেকেই রোদে পোড়া দাগ তোলার জন্য ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করে থাকেন। ঘরোয়া টোটকা বলতে অনেকেই টমেটো রস ব্যবহার করেন। আবার এই রস নাকি মাথার স্ক্যাল্পের জন্য খুব ভালো কাজ করে। প্রসঙ্গত, কেশসজ্জা শিল্পীরা বলছেন, টমেটোতে এমন কিছু খনিজ এবং ভিটামিন রয়েছে যা মাথার ত্বকের জন্য খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও, এতে ভরপুর মাত্রায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। টম্যাটোর রসে আর কী কী রয়েছে যা চুলোর জন্য ভালো কাজ করে?
১) টম্যাটোর লাল রঙের নেপথ্যে রয়েছে লাইকোপেন নামের এক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। টমেটোর এই উপাদান আবার শরীরে ফ্রি র্যাডিক্যালের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই কারণে চুলের ফলিকলের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে অনেকটা রক্ষা করতে সাহায্য করে।
২) মাথার ত্বকের শুষ্কতাজনিত অস্বস্তি কিংবা খুশকির মতন সমস্যা থেকে এড়িয়ে চলার জন্য চুলে পিএইচের সমতা বজায় রাখা খুব দরকার। বিশেষজ্ঞরা বলছে, এই কাজের জন্য সাহায্য করতে পারে কিছু প্রাকৃতিক অ্যাসিড।
৩) মাথার ত্বকে যাতে বেশি মাত্রায় সেবাম উৎপাদন না হয়, এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে ভিটামিন এ। জানা যাচ্ছে, টোম্যাটোতে নাকি খুব ভালো পরিমাণে রয়েছে ভিটামিন এ। তাই. খুব স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে টোম্যাটো খুবভালো কাজ করে।
এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন আসতে পারে কীভাবে টম্যাটোর রস মাথায় মাখা উচিত?
প্রথমে জল দিয়ে টম্যাটো ভালো করে ধুয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এরপর, হালকা করে চুল ভিজিয়ে টম্যাটোর রস সরাসরি স্ক্যাল্পে মেখে ফেলতে হবে। এই রস মাখার পর মিনিট পাঁচেক হালকা হাতে মাসাজ করলে ভালো হবে। এতে মাথার রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছে, কারোর চুল ঝরার সমস্যা থাকে তাহলে টম্যাটোর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মাখা যেতে পারে। এতে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর হয়।