যাদের মুখে ব্রণ রয়েছে তারাই একমাত্র জানে কোথাও বেরোনোর সময় কিংবা মেকআপ করার সময় ঠিক কতটা অসুবিধা সম্মুখীন হতে হয়। এখনকার দিনে, কারোর আর দিনকাল দেখে ব্রণ হয় না। কখনও অত্যাধিক গরমের কারণে ব্রণও হতে পারে, কখনও আবার পিরিয়ড না হওয়ার জন্যও ব্রণও হতে পারে। তবে রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিকভাবে যদি স্কিনকেয়ার করা হয় তাহলে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। বিয়ের কোন নির্দিষ্ট ফর্মুলা হয় না। ব্রণকে বশে রাখার জন্য কিছু আয়ুর্বেদিক টোটকা অনুসরণ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যেতে পারে। ব্রণের সমস্যা সহজে এড়ানোর জন্য কী কী করা যেতে পারে?
১) হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান আছে। হলুদের সঙ্গে যদি গোলাপ জল কিংবা মধু ভালোভাবে মিশিয়ে ব্রণর উপর লাগিয়ে মিনিট ১৫ রেখে দিতে হবে। এর ফলে ব্রণর ফোলাভাব কমায়। ধীরে ধীরে ব্রণর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।
২) ব্রণর জন্য নিমপাতা বাটা খুব ভালো কাজ করে। নিম ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে ও ব্যাকটেরিয়াকে দূর করতেও সহায়তা করে। ত্বক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিমপাতা বেটে ত্বকের লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যায়।
৩) দিনে অন্তত দু’বার মৃদু বা মাইল্ড ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল ও ধুলোবালি পরিষ্কার হয়। তবে খুব বেশি ঘষে মুখ ধোবেন না, তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৪) ত্রিফলা কেবল পিটারই সমস্যা দূর করে তা নয়, ব্রণর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। অল্প জলের সঙ্গে পরিমাণ মত ত্রিফলা মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পেস্টে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
৫) ব্রণর সমস্যা কমাতে খাওয়াদাওয়া নিয়ে সচেতন হতে হবে। এই কারণে ভাজাভুজি, প্রক্রিয়াযাত খাবার কিংবা মশলাদার খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এর বদলে ফল, দানাশস্য কিংবা শাকসব্জি খাওয়ার অভ্যাস তৈরী করতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছে, শসা, পুদিনার মতো খাবার বেশি করে খেলে ত্বকে শীতল প্রভাব পড়তে দেখা যায়। এর সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করতে হবে।