কথায় আছে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম দিতে জানে না। অর্থাৎ, অর্থ সম্পদ কিংবা অন্য কোনও জিনিস মানুষের কাছে থাকাকালীন তার কদর করতে পারে না, হারানোর পর হাহাকার করে। এই সূত্র ধরে বলা ভালো, এমন অনেকে রয়েছে যাঁদের মাথায় অঢেল চুল থাকা সত্ত্বেও ঠিকঠাকভাবে যত্ন করে না কিংবা হাতের কাছে যে শ্যাম্পু পেল তাই মেখে নেয়। কিন্তু, দিনে দিনে চুলের মান খারাপ হয়ে যাওয়াতে এখন খোঁজেন সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু, যাতে চুলকে কিছুটা হলেও যত্নে রাখা যায়। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, বাজারে এখন ‘সালফেট ফ্রি’ শ্যাম্পুর চাহিদা বেশ ভালোই রয়েছে। এই ধরণের শ্যাম্পুতে আবার বেশি ফ্যানা হয় না। চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কী সুফল মেলে?
কেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি কেউ সালফেট যুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা বন্ধ করে দেয় স্ক্যাল্পে তেলের ভারসাম্য ধীরে ধীরে ঠিক হতে শুরু করে। এমনকি, ফ্রিজিনেসও উধাও হয়ে যায়। এরই সঙ্গে চুল জেল্লাদার ও নরম হয়ে ওঠে। চুলের শুস্কতা দূর করতে সাহায্য করে এই সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু। সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু চুলের কিউটিকল মসৃণ করতে সাহায্য করে। আবার, চুলের ফ্রিজিনেস দূর করতে, চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।
এই বিশেষ ধরণের শ্যাম্পু স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই শ্যাম্পু ব্যবহার করলে খুশকির মতন সমস্যা শত হাত দূরে থাকে। এটি মাথার শুষ্ক ভাব, প্রদাহ, চুলকানি থেকেও দূরে রাখে। কোঁকড়ানো ও শুস্ক চুলের জন্য পারফেক্ট সালফেট মুক্ত শ্যাম্পু। এখন অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে বাজার চলতি সালফেট যুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে কী হয়?
এই ধরণের শ্যাম্পুতে খুব ভালো ফ্যানা হতে দেখা যায়। এছাড়াও, এইসব শ্যাম্পুতে সালফেটের মাত্রা বেশি থাকার কারণে স্ক্যাল্প শুষ্ক এবং চুল রুক্ষ হয়ে যায়। দিনের পর দিন একই শ্যাম্পু ব্যাবস্থার করা ফলে চুলের বেহাল দশা হয়ে যায়। সালফেট আবার স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক তেলও নষ্ট করে দেয়। চুল অনেক বেশি পাতলা হয়ে যায়।