বছর ভোট ধরে ৫০ টা থেকে ১০০ টা বা তার বেশি চুল আমাদের অজান্তেই ঝরতে থাকে। এমন সময় অনেকেরই মুঠো ভর্তি চুল উঠে আসে, আর এই দৃশ্য দেখামাত্রই অনেকে চিন্তা শুরু হয়ে যায়। খুব স্বাভাবিকভাবেই চুল পাতলা হয়ে যায় এবং উঁকি দেয় টাক। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্যাকেই মেনে নিতে পারছে না। কিন্তু এদিকে আবার নামিদামি বাজার চলতি প্রসাধনী দ্রব্য ব্যবহার করেও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। তবে চুল ঝরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কি বল বায়ু দূষণকেই দোষারোপ করলে চলবে না, বরং নিজের খাদ্যাভ্যাস, হরমোনের ওঠা নামা এমন কি মানসিক চাপও চুল ঝরে যাওয়ার কারণ হয়ে উঠতে পারে।
এমন সময় আমাদের নিজেদেরকে নজর দিতে হবে ট্রেস এবং ডায়েটের দিকে। হাতেগোনা কয়েকটা জিনিস সঠিকভাবে মেনে চললেই চুলের যত্ন নেওয়া যাবে। এদিকে আবার বিশেষজ্ঞরা বলছি চুল ঝরার কারণে যদি হোমমেড হেয়ার প্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে তাহলে খুব ভালো হয়। তবে সঠিক জিনিসের নাম জেনে হিয়ার মাস তৈরি করে তা ব্যবহার করা উচিত। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায় কি কি উপাদান দিয়ে হেয়ার মাস্ক বানালে তা চুলের জন্য উপকারী হবে-
১) আমরা কমবেশি প্রায় সকলেই জানি ডিম চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো কাজ করে। তাই ডিমের হলুদ অংশের সঙ্গে এক চামচ নারকেল তেল এবং এক চামচ দুধ মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক বানিয়ে তা চুল এবং স্কেল পেয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে।। এরপর কিছুক্ষণ হালকা মালিশ করে তা ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর অল্প গরম জল পড়ে তা ধুয়ে ফেলতে হবে।
২) অন্যদিকে, আবার রোজ সকালে মেথি ভেজানো জল খেলেও চুল পড়া বন্ধ হতে সাহায্য করে। যদি কেউ মেথি ভেজানো জল নাও খায় তাহলে মেটির মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। তাই, ২ কিংবা ৩ চামচ মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে পরদিন সকালে তা ভালোভাবে বেটে সরাসরি চুল ও স্ক্যাল্পে মেখে নিতে পারেন। পারলে, এই বাটাতে কেউ চাইলে টক দই মেশাতে পারেন। মাথায় মিশ্রণটি মেখে আধ ঘণ্টা পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই হেয়ার মাস্কও চুল পড়া দূর করতে সাহায্য করবে।