প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইজির অস্বাভাবিক মৃত্যু। ঘর থেকে যুবতীর ঝুলন্ত দেহ হয়েছে বলে খবর সূত্রের। সোমবার দুপুরে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পরিবারের দাবি, অবসাদের কারণে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই যুবতী। যদিও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মৃতদেহটি ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের পাঠান হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার বাড়ির দোতলার একটি ঘর থেকে বৃষ্টির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি বিবাহিত ছিলেন। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন আদালতে। তার মধ্যেই আচমকা এই ঘটনা ঘটে যাওয়ায় হতবাক অনেকেই। অন্যদিকে বৃষ্টির ঘনিষ্ঠদের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনে যথেষ্ট টানাপড়েনের মধ্যে ছিলেন তিনি। পরিবারের এক সদস্যের কথায়, 'ও ডিপ্রেশনের রোগী। গত চার-পাঁচ বছর ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিল। ডাক্তার দেখানো হচ্ছিল। ওষুধপত্রও খাচ্ছিল।'
প্রসঙ্গত, এর আগেও একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিল বৃষ্টির নাম। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এসএসসি-র নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে বৃষ্টির চাকরি বাতিল হয়। বোলপুর হাই স্কুলের করণিক ছিলেন তিনি। বৃষ্টির বাবা, অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাই নীহার দাবি করেছিলেন, তাঁর মেয়ে বরাবর পড়াশোনায় ভাল। নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলেন।