বারুইপুরে নাবালিকা খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিল পুলিস। সূত্রের খবর, ৭০২ পাতার চার্জশিট জমা করা হয়েছে আদালতে। ঘটনার ৬০ দিনের মধ্যেই উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ ও যাবতীয় নথি জড়ো করে চার্জশিট আকারে পেশ করল রাজ্য পুলিস।
গত ৪ জুলাই বারুইপুরের সূর্যপুর থেকে নিখোঁজ হয় ওই নাবালিকা। এরপর বহু খোঁজাখুঁজির পর তার দেহ স্থানীয় একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে এলাকার লোকজন। পরিবারের তরফে অভিযোগ তোলা হয় গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে নাবালিকাকে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এলাকায়। পরে ঘটনার তদন্তভার সিটের হাতে তুলে দেয় সরকার। গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। এর মধ্যে প্রভাস মণ্ডল নামে এক অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে পুলিসের কাউন্টারে।
নাবালিকার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা যায়, যৌনাঙ্গে ক্ষত ছিল তার। মাথায় ছিল আঘাতের চিহ্ন। এমনকি বস্তায় ভরে তাকে জলে ফেলে দেওয়ার আগে পর্যন্তও তার দেহে প্রাণ ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং জলে ডুবে শ্বাসরোধ—মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে এই দু’টি বিষয়ের উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে।
এমতাবস্থায় গত ৩১ অগাস্ট বারুইপুরের বিশেষ পকসো আদালতে চার্জশিটটি জমা পড়েছে বলে খবর পুলিস সূত্রে। চার অভিযুক্তের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস)-এর ১৩৭(২), ১৪০(৩), ৬৫(১), ৭০(২), ১০৩(১), ২৩৮ ও ৬১ ধারার পাশাপাশি পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।