নেতাজিনগরে পথ দুর্ঘটনা। ঘটনায় মৃত্যু হল একজন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তির। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মারধরের তথ্য এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বিধান নগর উত্তর থানায়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্য়ক্তির নাম শুভাশিস চৌধু...
নেতাজিনগরে পথ দুর্ঘটনা। ঘটনায় মৃত্যু হল একজন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তির। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মারধরের তথ্য এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বিধান নগর উত্তর থানায়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্য়ক্তির নাম শুভাশিস চৌধুরী (৬৭)। নিছকই দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য় কোনও রহস্য তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২১ শে জুলাই। সেদিন বিকেল চারটে থেকে সাড়ে চারটে নাগাদ শুভাশিস চৌধুরী সল্টলেকের বিডি ব্লকে তাঁর বোনের বাড়িতে আসছিলেন। ঠিক সেই সময়ই রিকশার ধাক্কায় আহত হন তিনি। এরপর তাঁকে বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে নীল রতন সরকার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই আজ অর্থাৎ শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর।
পরিবারের সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিস জানিয়েছেন শুভাশিস চৌধুরীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে, তাঁর অবস্থা গুরুতর। অথচ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাঁকে দেখতে গিয়ে দেখেন তাঁর একাধিক আঘাত, ডান চোখ ফোলা, বাম চোয়ালে আঘাত, এমনকি হাঁটুর নিচে উভয় হাড়ে আঘাত এবং মাথার পিছনে গুরুতর আঘাতে পনেরোটি সেলাই হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, দেহের একাধিক জায়গায় রক্ত জমাট বাধার চিহ্ন রয়েছে। সামনে থেকে একটি রিকশা ধাক্কা মারলে মাথার পিছনে কীভাবে চোট লাগে? তাহলে কি কয়েকজন রিক্সাওয়ালা একত্রিত হয়ে ওই ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছে? যা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
মৃত শুভাশিস চৌধুরীর ভাগ্নি জানান, ২১ শে জুলাই শুভাশিস চৌধুরীর আসার কথা ছিল সল্টলেকের বিডি ব্লকের তাঁদের বাড়িতে। ঠিক সেই সময় না আসার কারণে শুভাশিস চৌধুরীর ফোনে ফোন করে তাঁর ভাগ্নি। তখন দুজন মহিলা ফোন তোলে। ভাগ্নিকে জানানো হয় শুভাশিস বাবুর অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। তারপর তড়িঘড়ি থানার গাড়ি এসে শুভাশিস চৌধুরীর বোন এবং ভাগ্নিকে নিয়ে যাওয়া হয় বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখান থেকে এনআরএস-এ রেফার করা হয়। পরবর্তী ক্ষেত্রে পিজিতে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় শুভাশিস চৌধুরীর। পরিবারে লোকজন মনে করছে এটা দুর্ঘটনা নয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়ার পরেই বোঝা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ!