ভবানীপুরে অমিত শাহের রোড শো ঘিরে ধুন্ধমার। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিজেপির রোড শো পৌঁছতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। রীতিমত বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। শাহকে দেখে...
ভবানীপুরে অমিত শাহের রোড শো ঘিরে ধুন্ধমার। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিজেপির রোড শো পৌঁছতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। রীতিমত বিক্ষোভ দেখতে শুরু করেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। শাহকে দেখে ওঠে 'চোর' স্লোগান। এরপরেই পাল্টা স্লোগান দিতে শুরু করেন উপস্থিত বিজেপি কর্মীরাও। মুহূর্তে দুই দলের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। তড়িঘড়ি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর হয় পুলিস। বিক্ষোভ চলাকালীন ছাদ খোলা গাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। তাঁকে কনভয়ে করে ঘটনাস্থল থেকে বের করে আনা হয়। অন্যদিকে এই উত্তপ্ত পরিস্থির মধ্যেই সার্ভে বিল্ডিংয়ে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধুকারী।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুরে মূলত দুই ফুলের মধ্যে লড়াই। একদিকে 'ঘরের মেয়ে' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অপরদিকে শুভেন্দু অধিকারী। ফলে ভোটের লড়াই যে এবার হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করলেন শুভেন্দু। বিজেপির এই কর্মসূচির পাল্টা সকাল থেকেই ভবানীপুরে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের জমায়েত শুরু হয়। রীতিমত কালো পতাকা হাতে বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে বিজেপির মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে যেতেই শুরু অশান্তি। হাতাহাতি পর্যন্ত পৌঁছায় দু'পক্ষের কর্মীরা।
যদিও এদিন বিক্ষোভ নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি শাহ। তবে হাজরার সভামঞ্চ থেকে 'সোনার বাংলা' গড়ার ডাক দেন তিনি। শুভেন্দুকে পাশে নিয়েই তিনি বলেন, 'তৃণমূলকে এবার ক্ষমতা থেকে সরাবে বাংলার মানুষ। সরকার গঠনের পর বিজেপি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সোনার বাংলা গঠন করবে।' শাহের সংযোজন, 'আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে।'