ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটেও একাধিক প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন। তবে দলের ধরাশায়ী ফলাফলের পরেই কিছুটা উল্টো সুর শোনা গেল অভিনেতা তথা সাংসদ দেবের গলায়। দলের পরাজয় তাঁকে কষ্...
ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ তিনি। ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটেও একাধিক প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়েছিলেন। তবে দলের ধরাশায়ী ফলাফলের পরেই কিছুটা উল্টো সুর শোনা গেল অভিনেতা তথা সাংসদ দেবের গলায়। দলের পরাজয় তাঁকে কষ্ট দিলেও রাজ্যে এই বদলকে তাই স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, 'ইন্ডাস্ট্রিতে আর কেউ কাউকে 'ব্যান' করতে পারবে না। প্রযোজকদের উপরে নিয়মের বোঝা চাপাতে পারবে না। সুষ্ঠু ভাবে কাজ হবে। কাজের পরিমাণ বাড়বে। বাইরে থেকেও কাজ আসবে।' বিজেপির কাছে অভিনেতার অনুরোধ, 'ইন্ডাস্ট্রিকে বুঝে তার পাশে এসে দাঁড়ালে বেঁচে যাবে বাংলা ছবির দুনিয়া।'
গত লোকসভা ভোটের সময় থেকেই দল ছাড়ার ব্যাপারে উৎসাহ দেখিয়েছিলেন দেব। কিন্তু অভিষেকের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত বদল করেছিলেন তিনি। এই অবস্থায় দলের পরাজয়ে দেবের ভবিষৎ কোন পথে যাবে তা নিয়ে একাধিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায়, রাজনীতি থেকে দূরে থাকার বিষয়ে ভাবছেন অভিনেতা। এই বিষয়ে তিনি বলেন, 'আর রাজনীতিতে বেশি জড়াতে চাই না। আগের মতো মন দিয়ে অভিনয়টাই করতে চাই। এটাই বরাবর করে এসেছি।'
অন্যদিকে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হতেই বিজেপির পাল্লা ভারী হতে শুরু করেছে। রাতারাতি সবাই গেরুয়া দলে নিজেকে ভাসিয়ে দিতে শুরু করেছে। যদিও এই সমস্ত বরদাস্ত হবে না বলে আগে থেকেই কড়া বার্তা দিয়ে রেখেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। কিন্তু এর মধ্যেই দেবের বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। যদিও সেই জল্পনায় নিজেই জল ঢেলেছেন দেব। স্পষ্ট জানিয়েছেন এই ধরণের রাজনীতি তিনি করেন না। তাঁর কথায়, 'রাজনীতি না করলে জীবনধারণ করতে পারব না, এ রকম অবস্থা তো আমার নয়! আমি তো রাজনীতি করতেই চাইনি। দিদি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুরোধে রাজনীতিতে এসেছি। ফলে, রাজনীতি না করলেও আমার দিন ঠিক চলে যাবে।'