দ্বেষের বাংলাদেশে দিন দিন নৈরাজ্যের পরিস্থিতি আরও চরম আকার ধারণ করেছে। একথা কারোর অজানা নই। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই পদ্মাপাড়ে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার! অশান্তির আগ...
দ্বেষের বাংলাদেশে দিন দিন নৈরাজ্যের পরিস্থিতি আরও চরম আকার ধারণ করেছে। একথা কারোর অজানা নই। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই পদ্মাপাড়ে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার! অশান্তির আগুনে জ্বলছে ওপার বাংলা। ইতিহাসের পাতা থেকে মুজিবর রহমানের নাম মুছতে ব্যস্ত ইউনূসপন্থীরা। সেই সঙ্গে ধর্ষণ, খুনের মত ঘটনাও বেড়েই চলছে পদ্মাপাড়ে। বিগত কিছুদিন আগেই সেদেশে মাগুরার এক নাবালিকাকে যৌন হেনস্তার শিকার হতে হয়। হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর দীর্ঘ আট দিন পর ৮ বছরের ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়। সমস্ত অভিযোগ ওঠে ইউনূস সরকারের দিকে। বিরোধী রাজনৈতিক দল গুলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারে দিকে আঙুল তোলে। সূত্রের খবর, এই আবহে বাংলাদেশে সমস্ত পর্ন সাইট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম আন্তর্জাতিক মহল।
সূত্রের খবর, আসিফ নজরুল বলেছেন, 'পর্নোগ্রাফির দেখার প্রবণতা বাড়ার ফলেই ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলছে। ধর্ষণের সঙ্গে পর্নোগ্রাফির কোথাও যেন একটা সম্পর্ক আছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সমাজে। শেখ হাসিনার সময়েও কিছু নিষিদ্ধ পর্ন সাইট চালু রাখা হয়েছিল। এবার থেকে পুরোপুরি ভাবে সেসব বন্ধ।' উপদেষ্টার এহেন পদক্ষেপে ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, এই ভাবে পর্ন সাইট বন্ধ রেখে কি আদেও কোনও কাজ হবে! ধর্ষণের মত ঘটনা আটকানো সম্ভব হবে?
প্রসঙ্গত বৈষম্য বিরোধী, কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে গত ৫ অগাস্ট পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন হাসিনা। তারপর থেকে ভারতেই রয়েছেন তাঁরা। যদিও বার বার শেখ হাসিনাকে তাঁদের হাতে তুলে দিতে হবে বলে দাবি করেছে ইউনূসের অন্তর্বর্তী প্রশাসন, কিন্তু সেই দাবিকে পাত্তা দেয়নি নয়াদিল্লি।