"আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অন্য সময়ে যত ইচ্ছে সমালোচনা করুন। কিন্তু, এখন তার উপযুক্ত সময় নয়", খামেইনি মৃত্যুতে ইরানীয় বংশোদ্ভূত মহিলা সাংবাদিকের মন্তব্য। মৌলবাদ ও স্বৈরাচারের এক ভয়ঙ্কর...
"আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অন্য সময়ে যত ইচ্ছে সমালোচনা করুন। কিন্তু, এখন তার উপযুক্ত সময় নয়", খামেইনি মৃত্যুতে ইরানীয় বংশোদ্ভূত মহিলা সাংবাদিকের মন্তব্য।
মৌলবাদ ও স্বৈরাচারের এক ভয়ঙ্কর প্রতিনিধি আয়াতোল্লা আলি খামেইনির মৃত্যুতে তাঁর নিজের দেশ ইরান থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন-ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। একপক্ষ, ইজরায়েল-আমেরিকার হানাদার জুটির প্রতি প্রবল বিষ উগরে দিচ্ছে। আবার অন্যপক্ষ খামেইনির মৃত্যুতে আমেরিকাকের ধন্যবাদ জানাচ্ছে। এবং, তাদেরই এক প্রতিনিধি মাসহিন আলিনেজাদ। ইরানীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকার এই মহিলা সাংবাদিক সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে এদিন বলেন, "ভিনদেশে থেকে প্রতিদিনই খবর পেতাম, আমার দেশের মানুষ খামেইনির হাতে মরছে। তাই, আমেরিকাকে ধন্যবাদ"।
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ভিডিয়ো পোস্ট করে মাসহিন বলেন, " (খামেইনি) শেষ অবধি তাহলে আপনি মৃত, আপনি আর নেই। প্রতিদিন সকালে উঠে আমি খবর পেতাম, মানুষ মরছে খামেইনির হাতে। আজ এমন সুংসবাদ দিয়ে আমার সকাল শুরু হল, যা আগে কোনওদিন হয়নি। আমার ইচ্ছে করছে, প্রকাশ্যে চিৎকার করে বলি, খামেইনি মৃত। ইরান এখন মুক্ত। ঈশ্বর, আমেরিকাকে আমার ভালোবাসা, ধন্যবাদ। আলি খামেইনি মৃত! মৃত"!
খামেইনির মোল্লাতন্ত্রের প্রতিবাদে বরাবর সোচ্চার মাহসিন। ২০২২ সালে, ব্রুকলিনের বাড়িতে তাঁকে খুন করতে ভাড়াটে গুন্ডা পাঠানো হয়!
এদিকে, নিউ ইয়র্কের ভারতীয় বংশোদ্ভূত মেয়র জোহরান মামদানি ইরানে মার্কিন-ইজরায়েল হানার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন। এমতাবস্থায়, নিজের পোস্ট করা ভিডিয়োতে মামদানির উদ্দেশে মাসহিন বলেন, "আমরা (ইরান) যখন সর্বনাশা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন কিন্তু আপনি নীরব ছিলেন। ইসলামিক প্রজাতন্ত্র যখন তাদের ভাড়াটে গুন্ডাদের পাঠিয়ে (আমাকে) মারার চেষ্টা করে, তখন কিন্তু আপনি নীরব ছিলেন। তাই, এখন আপনি আর বেশি কথা বলবেন। ইরানের নাগরিকদের উদ্দেশে আর শান্তির বাণী দেবেন না। গণ অভ্যুত্থানে জানুয়ারিতে ৩০ হাজার মানুষকে মারা হয়েছে ইরানে"।
মাসহিনের সংযোজন, "আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অন্য সময়ে যত ইচ্ছে সমালোচনা করুন। কিন্তু, এখন তার উপযুক্ত সময় নয়"।