কাউন্ডডাউন শুরু। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা। এমতাবস্থায় প্রশ্ন একটাই, বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষের মধ্যে কত লক্ষের নিষ্পত্তি হল এবং সবমিলিয়ে কত নাম বাদ গেল আর কত নাম রয়ে গ...
কাউন্ডডাউন শুরু। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা। এমতাবস্থায় প্রশ্ন একটাই, বিবেচনাধীন (UNDER ADJUDICATION) ৬০ লক্ষের মধ্যে কত লক্ষের নিষ্পত্তি হল এবং সবমিলিয়ে কত নাম বাদ গেল আর কত নাম রয়ে গেল?
দিনরাত এক করে, বাড়িতে শিশু সন্তানকে ফেলে, সপ্তাহে একটাও ছুটি না-নিয়ে কার্যত 'টোয়েন্টি ফোর ইনটু সেভেন' কাজ করে চলেছেন। এমতাবস্থায়, ৬০ লক্ষের মধ্যে কমবেশি ৫২ লক্ষ নাম নিয়ে নিষ্পত্তি করে ফেলেছেন তাঁরা। আগামী ৬ তারিখ সকালেই আবার সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি নিয়ে শুনানি হবে। এখন প্রশ্ন শুধু একটাই, সবমিলিয়ে কত নাম বাদ গেল আর কত নাম রয়ে গেল?
পর্যবেক্ষকরা অবশ্য বলছেন, এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, ট্রাইবুনাল কবে থেকে কাজ করতে শুরু করবে? যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁদের একমাত্র আশা-ভরসার জায়গা এখন ট্রাইবুনাল। চলতি এপ্রিল মাসের ১ তারিখে, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানিতে কমিশন জানায়, সাতটি জায়গায় (বাড়িতে) ট্রাইবুনাল হবে । জুডিশিয়াল অফিস-সহ সাতটি জায়গা বেছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে তা জানানো হয়ছে। প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তখন প্রশ্ন তোলেন, ট্রাইবুনালে উপস্থিত বিচারপতিদের কেন প্রশিক্ষণ দিতে হবে? কমিশনের আইনজীবী জানান, নতুন ধরনের কাজ, তাই সেই সম্পর্কে একটা ধারণা থাকলে কাজ করতে সুবিধা হবে, তাই প্রশিক্ষণ। এমতাবস্থায়, ৭ এপ্রিল বিকেল চারটের সময়ে প্রধান বিচারপতি ফের মামলাটি শুনবেন। এরই মধ্যে, সব নামের নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলে দাবি করা হয়েছে। অতএব, ধরে নেওয়া যাচ্ছে, ট্রাইবুনালের কাজও শুরু হয়ে যাবে এর মধ্যে।
এদিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ধোঁয়াশায় ঢাকা তাঁর উত্তর, "চলছে তো, চলছে। মুখ্য সচিব দেখছেন এটা"।