পুরুলিয়ার জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন মাহাতোর সমর্থনে জনসভা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি, "কেন্দ্র অর্থ দিক না-দিক, আগামী ৫ বছরে সবার মাথায় ছাদ হবে"।বামজমানায় এই প...
পুরুলিয়ার জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন মাহাতোর সমর্থনে জনসভা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিশ্রুতি, "কেন্দ্র অর্থ দিক না-দিক, আগামী ৫ বছরে সবার মাথায় ছাদ হবে"।
বামজমানায় এই পুরুলিয়া যে, মাওবাদীদের মুক্তাঞ্চল ছিল, তা মনে করিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দাবি, উন্নয়ন যা হয়েছে যা তৃণমূল সরকারই করেছে। পূর্বতন বাম সরকার নয়। এমনকি, অভিষেকের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে এখানকার মানুষের জন্য ১ টাকাও আনতে পারেননি পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। একশো দিনের কাজের টাকাও পাননি স্থানীয়রা। অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, "আমার কথা রেকর্ড করুন, যদি মিথ্যে হয়, তাহলে রাজনীতি করবো না আর"।
প্রসঙ্গত, একশো দিনের প্রকল্পের টাকা বরাদ্দ করা নিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারের সঙ্গে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিবাদ চূড়ান্তে পৌঁছয়। আবাস যোজনার টাকার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বঞ্চিতদের সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে দরবার পর্যন্ত করেছেন।
এদিন, কুড়মালি ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নে বিজেপি সাংসদকে খোঁচা দিলেন অভিষেক। এবং, সেই সঙ্গে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার আগে পেট্রোল, রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে দুধের দাম কত কম ছিল, একেবারে ধরে-ধরে তার হিসেব দিলেন। পিছিয়ে পড়া এই তল্লাটে যেটুকু যা উন্নয়নের কাজ হয়েছে, তা গত ১৫ বছরে তৃণমূল জমানাতেই হয়েছে বলে দাবি করলেন অভিষেক।
পর্যবেক্ষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০১৯ সালের লোকভায় বাংলা থেকে একেবারে অপ্রত্যাশিতভাবে ১৮ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি এবং তার নেপথ্যে যেমন ছিল উত্তরবঙ্গ, তেমনই, জঙ্গলমহলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার মতো জেলাও। এমনকি, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০০ আসন টার্গেট করে ৭৭-এ মুখ থুবড়ে পড়লেও, এই তল্লাট কিন্তু বিজেপির মুখ রেখেছিল।