পাক-আফগান সংঘর্ষে উত্তেজনা চরমে ডুরান্ড লাইনে। এমতাবস্থায় দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান রাশিয়া এবং চিন। যদিও সেই প্রস্তাবে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে কাবুল ও ইসলামাবাদ...
পাক-আফগান সংঘর্ষে উত্তেজনা চরমে ডুরান্ড লাইনে। এমতাবস্থায় দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান রাশিয়া এবং চিন। যদিও সেই প্রস্তাবে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে কাবুল ও ইসলামাবাদ। অন্যদিকে শুক্রবার আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার ইঙ্গিত দিয়েছিল ইসলামাবাদ। কিন্তু তারপরেও আকাশসীমা পেরিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।
এর মধ্যেই ইসলামাবাদের তরফে শনিবার আরও একটি দাবি করা হয়েছে। পাক সেনার হামলায় ৩০০ আফগান তালিবানের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করল শাহবাজ প্রশাসন। পাকিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আতাউল্লা তারারের দাবি, রাতভর হামলা চালানো হয় আফগানিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে। ৮৯টি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ১৩৫টি ট্যাঙ্কও। তিনি আরও জানিয়েছেন, পাক বায়ুসেনা শুক্রবার রাতে আফগানিস্তানের ২৯টি জায়গায় বোমাবর্ষণ করেছে। সেই হামলাতেও আহত হয়েছে একাধিক। যদিও পাকিস্তানের সেই দাবিকে মানতে নারাজ আফগানিস্তান।
তাদের পাল্টা দাবি, পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সেনাচৌকি ধ্বংস করেছে তালিবান সেনা। পাশাপাশি হামলায় অনেক পাকসেনা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেছে কাবুল। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভোররাত থেকেই 'অপারেশন ঘাজাব লিল হক' নামে সামরিক অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তান। তারপর থেকেই লাগাতার গুলির লড়াই চলছে দুই দেশের মধ্যে।
এর মধ্যেই পাকিস্তানকে সবক শেখাতে আরও বড় পরিকল্পনা নেয় আফগানিস্তান। পাক সেনার একধিক সেনাচৌকি ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে কাবুল। এমনকি ইসলামাবাদের সেনাঘাঁটিতেও আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি তাদের। ঘটনাচক্রে, যেখানে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, তার কিছু দূরেই রয়েছে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।