ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পরই নিশ্চিত করল তেহরান। খামেনেইয়ের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পরিজন...
ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির পরই নিশ্চিত করল তেহরান। খামেনেইয়ের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পরিজনরাও। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। খামেনেই-এর মৃত্যুর প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে অন্তত আটজন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানের উপর আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলার তীব্র বিরোধিতা করে পাকিস্তান। করাচির কূটনৈতিক অঞ্চলের শিয়া গোষ্ঠীগুলি বিক্ষোভে নামে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর হত্যার নিন্দা জানিয়ে স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভকারীরা সুলতানাবাদ থেকে মাই কোলাচির দিকে মিছিল করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে রাস্তা বন্ধ করে প্রশাসন। মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিসবাহিনী। বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে। পুলিস উন্মত্ত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন দূতাবাসে মোতায়েন সামরিক কর্মীদের উপর গুলি চালানো হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিস। আটজনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ এবং মার্কিন কর্মকর্তারা হতাহতের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত করেনি।
উল্লেখ্য, এহেন পরিস্থিতির মাঝেই 'বন্ধু' আমেরিকাকে ধাক্কা দিয়ে ইরানের বিদেশমন্ত্রীকে ফোন করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশক দার। ইরানের উপর আমেরিকার এই হামলার তীব্র নিন্দা বলে তিনি জানান, 'এই হামলা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।' পাশাপাশি বিবৃতি জারি করে পাক বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, 'অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করে কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের আবেদন জানাচ্ছে পাকিস্তান।'