সম্প্রতি আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতির পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে হরমুজ সংক্রান্ত জটিলতা। বেড়েছে পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল। বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের দামও ক্রমশ নাম...
সম্প্রতি আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতির পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে হরমুজ সংক্রান্ত জটিলতা। বেড়েছে পণ্যবাহী জাহাজের চলাচল। বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের দামও ক্রমশ নামতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে দেশীয় বাজারেও পেট্রল-ডিজেলের দাম কমতে পারে বলে আশা দেখছে ভারতের কয়েক-শো কোটি মানুষ।
কিন্তু এই আশা যে এখনই পূরণ হওয়ার নয়, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী। তিনি জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পেট্রল, ডিজেল, এবং এলপিজি বিক্রিতে ভারতীয় তেল সংস্থাগুলির ৭৪,৭৮১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে যে পেট্রল-ডিজেল এলপিজি বিক্রি হচ্ছে তা মাস দুয়েক আগে কেনা। তবে আগামী ২–৩ মাসের মধ্যে যদি আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম কমে, তাহলে ভারতেও জ্বালানি দাম কমানোর বিষয়ে ভেবে দেখা যাবে।
সেই সঙ্গেই হরদীপের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় 'উন্নত বিশ্বে' পেট্রলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছিল। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোতে বেড়েছিল প্রায় ৩৫ শতাংশ, কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভারতে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি ছিল মাত্র ৫.৫৮% তাঁর কথায়, 'গত চার মাসে আমাদের ১ লক্ষ ৭ হাজারটি খুচরা আউটলেটের কোনওটি বন্ধ হয়নি বা কোনও ঘাটতি হয়নি, আমরা ভাল ভাবে, দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি সামলেছি।' এককথায়, বিশ্ববাজারে সাময়িক অস্বস্তি কমলেও এখনই জ্বালানির মূল্য কমানোর ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না ভারত সরকার। ফলে আপাতত অপেক্ষা করেই থাকতে হবে দেশবাসীকে।