নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ধর্মতলায় ধুন্ধুমারে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। অশান্তি এবং সাংবাদিকদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের নিয়ে রবিবার বিস্ফোরক শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতার হওয়া ...
নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ধর্মতলায় ধুন্ধুমারে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। অশান্তি এবং সাংবাদিকদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের নিয়ে রবিবার বিস্ফোরক শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা কেউই ছাত্র নন। গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ঘটনায় হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছ'টি এবং এন্টালি থানায় ১ নিয়ে মোট সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলিতে গুন্ডাদমন আইন যুক্ত করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন ভিন রাজ্যে পালিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা করেছিল। মুখ্যমন্ত্রীর আরও দাবি, ধর্মতলার ঘটনায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে নিট আন্দোলনে অংশ নেওয়া পড়ুয়াদের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “সাউন্ড পলিসিতে বিধি আরোপ করা হয়েছে। খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। অবৈধভাবে ওবিসি শংসাপত্র পেয়েছিল, হাই কোর্ট বাতিল করেছে। আমরা কার্যকর করেছি। তা নিয়ে রাগ আছে। এরা কেউই ছাত্র নয়। এরা গুন্ডা। গুন্ডাদমন আইনে ব্যবস্থা হবে।” সাংবাদিকদের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিস গ্রেফতারির পদক্ষেপ করেছে বলে তিনি জানান।
ছাত্র আন্দোলনের নামে ধর্মতলায় চরম বিশৃঙ্খলা। সাংবাদিকদের উপর বেনজির আক্রমণ, মারধর। যাকে কেন্দ্র করে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। বিক্ষোভকারীরা কেউ ছাত্র ছিলেন না বলে অভিযোগ। তাহলে ওরা কারা? কোথা থেকে এলেন বিক্ষোভকারীরা? কার মদতে অশান্তি সৃষ্টি? এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক দলের ইন্ধন? ছাত্র আন্দোলনের নাম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা? কেন এইভাবে নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া হল?