শুক্রবার ভোররাত থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে। 'অপারেশন ঘাজাব লিল হক' নামে কাবুলের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করেছে ইসলামাবাদ। এই অবস্থায় দুই দেশের সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করার প্র...
শুক্রবার ভোররাত থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে। 'অপারেশন ঘাজাব লিল হক' নামে কাবুলের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা শুরু করেছে ইসলামাবাদ। এই অবস্থায় দুই দেশের সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিল ইরান। এই বিষয়ে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে যেকোন সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ইরান প্রশাসন। তবে পাকিস্তান ইরানের সাহায্য নিতে আগ্রহী কিনা তা এখনও স্পষ্ট না। তবে সৌদি আরবের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। কারণ সম্প্রতি সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের পড়শী দেশ হল ইরান। সেই সূত্রে দুই দেশের সংঘর্ষ ঠেকাতে তৎপর হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি। সমাজমাধ্যমে ইরানের বিদেশমন্ত্রী লিখেছেন, 'পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানকে আলোচনায় বসাতে, তাদের মধ্যে সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় যে কোনও সহায়তা করতে ইরান প্রস্তুত।' পাশাপাশি রমজানের মাসের পবিত্র সময়ে সংঘর্ষ কাম্য নয় বলেও ওই পোস্টে উল্লেখ করেছেন তিনি। অন্যদিকে দুই দেশকে সংযত হওয়ার সতর্কতা দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে। পারস্পরিক কৌশলগত সেই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বলা হয়েছিল, স্বাক্ষরকারী কোনও দেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় পক্ষের আগ্রাসন দুই দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসাবে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। এই অবস্থায় প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সৌদি আরব কোন পদক্ষেপ নেবে কিনা, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই সৌদির বিদেশ মন্ত্রক সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের সংঘাত নিয়ে দুই দেশের কথা হয়েছে। কী ভাবে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।