ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগের বছর পর্যন্ত যে ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য হাপিত্যেশ করছিলেন, সেই ট্রাম্পই এখন রণংদেহী আকার ধারণ করেছেন। ইর...
ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আগের বছর পর্যন্ত যে ট্রাম্প নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য হাপিত্যেশ করছিলেন, সেই ট্রাম্পই এখন রণংদেহী আকার ধারণ করেছেন। ইরানের বিরুদ্ধে 'অলআউট' হামলার কথা বলছেন ট্রাম্প। আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলায় বেঘোরে প্রাণ গেল ৮৫ জন ছাত্রীর। ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে দাবি, স্কুল চলাকালীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যৌথ বাহিনী। আর তাতেই ধ্বংস হয়েছে মিনাবের একটি 'গার্লস স্কুল'।
নতুন বছরে ফের যুদ্ধ পরিস্থিতি মধ্য প্রাচ্যে। শনিবার সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা করে ইজরায়েল। লাগাতার মিসাইল ছোড়া হয় তেহরানের একাধিক জায়গায়। আমেরিকা যে এই হামলায় মদত দিয়েছে, তাও স্পষ্ট। তবে এর মধ্যেই যে বিষয় নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে, তা হল ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই কি বেঁচে রয়েছেন? ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহিদ হয়েছেন। শনিবার তিনি তাঁর দপ্তরে কাজ করছিলেন। সেই সময়েই আমেরিকা-ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার।
গত বছরের শেষ থেকে ইরানে মোল্লাতন্ত্রের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর এখন বড় প্রশ্ন হচ্ছে, ইরানে কি তাহলে সত্যিই মোল্লাতন্ত্রের অবসান ঘটবে? আবার একপক্ষের বক্তব্য, আমেরিকা-ঘনিষ্ঠ কোনও শাসক ইরানের গদিতে বসে ইসলামি শাসনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তবে খামেনেইর উত্তরসূরী নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি তেহরান।