রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফর আমেরিকার কাছে খুব একটা স্বস্তির হয়নি বলেই মত কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলে একাংশের। ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি আদৌ কবে হবে? এমন প্রশ্ন বারবার উঠলেও কোনো সদর্থক উত্তর নেই। এই...
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের ভারত সফর আমেরিকার কাছে খুব একটা স্বস্তির হয়নি বলেই মত কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলে একাংশের। ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি আদৌ কবে হবে? এমন প্রশ্ন বারবার উঠলেও কোনো সদর্থক উত্তর নেই। এই আবহে মোদীকে সঙ্গে নিয়েই 'সুপারক্লাব' তৈরির সম্ভাবনা ট্রাম্পের! যেখানে তাদের সঙ্গে রাশিয়া, চিন ও জাপানের রাষ্ট্রনেতাদেরও থাকার সম্ভাবনা! এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমত শোরগোল শুরু হয়েছে বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে।
সূত্রের খবর, এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, 'হোয়াইট হাউস জাতীয় নিরাপত্তা সংক্ৰান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করার পরই প্রবল গুঞ্জন ছড়িয়েছে আমেরিকা জুড়ে। যা রীতিমত আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। কী সেই গুঞ্জন? আমেরিকা নাকি ভারত, রাশিয়া, চিন ও জাপানকে একসঙ্গে নিয়ে একটি 'অক্ষ' তৈরি করতে চলেছে। যা 'পঞ্চঅক্ষ' বা 'সি-ফাইভ বা কোর ফাইভ' নামেই প্রকাশ পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি নিয়ে জল্পনা-গুঞ্জন বেড়েই চলেছে। তবে এই বিষয় নিয়ে এখনও অবধি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোনে কথা হয়েছে। ঠিক কী নিয়ে কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে? টেলিফোনে দুই রাষ্ট্রনেতা দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন কৌশলগত আলোচনা এমনকি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তাহলে কি এবার ভারত-আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন হবে? কূটনৈতিক মহলে ঠিক এই প্রশ্নই উঠছে। গোটা ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর নিজস্ব এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, 'আমাদের মধ্যে যথেষ্ট ভালোভাবে কথা হয়েছ। খুবই আকর্ষণীয় কথোপকথন হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি নিয়ে যেমন আলোচনা হয়েছে, ঠিক তেমনই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়েও সমানভাবে আলোচনা হয়েছে।'