ফের অশান্ত হল হরমুজ। সোমবার সেখান দিয়ে যাতায়াত করা দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালালো ইরান সেনা। তবে জাহাজ দুটি কোন দেশের ছিল তা এখনও স্পষ্ট না। ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্ত...
ফের অশান্ত হল হরমুজ। সোমবার সেখান দিয়ে যাতায়াত করা দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালালো ইরান সেনা। তবে জাহাজ দুটি কোন দেশের ছিল তা এখনও স্পষ্ট না। ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালীতে। আতঙ্কে রয়েছেন সেখানে থাকা বাকি বাণিজ্যিক জাহাজের নাবিকরা। তবে এই হামলার পর ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তি কোনও নতুন মোড় নেয় কিনা, তা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।
সম্প্রতি শান্তি বৈঠকের পক্ষে মউ স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা ও ইরান। সেখানে বলা হয়েছিল আগামী ৬০ দিন পর্যন্ত হরমুজে সমস্ত বাণিজ্যতরী নির্বিঘ্নে চলাচল করতে দেওয়া হবে। মূলত এটিই ছিল শান্তিবৈঠক চালিয়ে যাওয়ার মূল শর্ত। এমতাবস্থায় লাগাতার হরমুজ হামলা সেই শর্ত লঙ্ঘন করছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।
মউ স্বাক্ষরের পর এখনও পর্যন্ত দু'দফায় বৈঠক হয়েছে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে। সেখানেও নানা বিষয়ে সহমত হয়েছে দুই যুযুধান দেশ। কিন্তু তা সত্ত্বেও হুমকি পাল্টা হুমকির রেশ বজায় রেখেছে দু-পক্ষই। বর্তমানে ইরানে প্রয়াত সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্য চলছে। তার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বরা সবাই ওখানেই রয়েছেন। একটা গুলিতেই তাদের সবাইকে খতম করা সম্ভব। কিন্তু আমরা তা করব না। কারণ, তাহলে আলোচনার জন্য আর কাউকে পাওয়া যাবে না।' এমতাবস্থায় মনে করা হচ্ছে, মার্কিন প্রধানের এহেন বক্তব্যের জবাবেই হরমুজে আক্রমণ শুরু করেছে ইরান। ফলে শেষ পর্যন্ত এই ঘটনা কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে জল্পনা।