শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবসে শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি জানালেন বাংলাদেশের সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি এই প্রথম শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন জামাতের শীর্ষ নেতা শফি...
শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবসে শহিদ মিনারে ভাষা শহিদদের প্রতি জানালেন বাংলাদেশের সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি এই প্রথম শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন জামাতের শীর্ষ নেতা শফিকুরও। যদিও এই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন কেবল 'রাষ্ট্রীয় আচার' হিসেবেই তিনি পালন করলেন বলেও ব্যাখ্যাও দিয়েছেন জামাত নেতা।
এদিন প্রথমে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। এরপর শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী এবং কন্যাও। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা জানিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরে শহিদ মিনারের দরজা খুলে দেওয়া হয় সাধারণ মানুষের জন্যে। এদিন তারেকের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের পরেই প্রথমবার শহিদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান জামাত নেতা শফিকুর। এছাড়াও তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের আরও বেশকিছু শীর্ষ নেতাও। অন্যদিকে জামাত নেতার শহিদ মিনারে পা রাখার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তুমুল চর্চা।
বস্তুত, শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন নীতি 'ইসলাম বিরোধী' নীতি হিসেবেই মানতেন জামাত নেতার। ফলে আজকের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ানো স্বাভাবিক। যদিও এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বাংলাদেশের এক সংবাদ সংস্থাকে শফিকুর জানিয়েছেন, 'রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে। তাই আমি এসেছি।'
অন্যদিকে হাসিনাহীন বাংলাদেশে এটি দ্বিতীয়বারের শহিদ দিবস ছিল। গতবছর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ মিনারে গিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনূস। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সেই রীতি পালন করা হলেও আগের উৎসাহ ছিল না। ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। রাষ্ট্রপতির সেখানে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে যাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছিল টানাপড়েন। শেষ পর্যন্ত তিনি গিয়েছিলেন। গিয়েছিলেন ইউনূসও। তবে এইবারের চিত্রটা কিছুটা আলাদা ছিল সেখানে।