আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত খামেনেইয়ের গোটা পরিবার। গত শনিবার তেহরানে আচমকা বিমান হামলায় প্রথমে মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা-সহ তাঁর মেয়ে, জামাই এবং নাতনির। সেই হামলায় গুরুতর জখম হয়েছিল...
আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত খামেনেইয়ের গোটা পরিবার। গত শনিবার তেহরানে আচমকা বিমান হামলায় প্রথমে মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা-সহ তাঁর মেয়ে, জামাই এবং নাতনির। সেই হামলায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন খামেনেইয়ের স্ত্রীও। সোমবার তাঁরও মৃত্যু হয় বলে খবর ইরানের সংবাদমাধ্যম সূত্রে।
শনিবার আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কেঁপে উঠেছিল ইরানের বিস্তীর্ণ এলাকা। মূলত খামেনেইকে শেষ করতেই সেই হামলা চালান হয়েছিল বলে দাবি করেছে ইজরায়েল। শনিবার সেই হামলার কয়েক ঘন্টা বাদেই সরকারি ভাবে বিবৃতি দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বলেছিলেন, 'প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।' এরপর রবিবার সেই একই পোস্ট করতে দেখা যায় মার্কিন প্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তিনিও সমাজমাধ্যমে লেখেন, 'ইতিহাসের নিকৃষ্টতম মানুষগুলোর মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে।'
যদিও গোটা ঘটনাকে হালকা ভাবে নিতে নারাজ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে ইতিমধ্যেই মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে লাগাতার হামলা শুরু করেছে তেহরান। উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে খামেনেইয়ের স্ত্রীয়ের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করল ইরানের একাধিক সংবাদমাধ্যম।