আঘাত-প্রত্যাঘাতে ইরান-ইজরায়েল! ক্রমশ যুদ্ধের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। এই পরিস্থিতিতে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার...
আঘাত-প্রত্যাঘাতে ইরান-ইজরায়েল! ক্রমশ যুদ্ধের ঝাঁঝ বেড়েই চলেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। এই পরিস্থিতিতে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার রাতে জরুরি বৈঠকের পর প্রথমে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট ও পরে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি নেতানিয়াহুর কাছে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদন জানান তিনি।
ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলাতেই নিহত হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। ইরান সরকার খামেনেইয়ের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছে। সেই সঙ্গে সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশ জুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। পাল্টা হামলা শুরু করে ইরানও। ইজ়রায়েলের রাজধানী তেল আভিভে একের পর এক হামলা চালায় ইরান। যত সময় গড়িয়েছে দু’পক্ষের মধ্যে হামলা আরও জোরালো হয়েছে।
আকশে-বাতাসে শুধু এখন বইছে বারুদের গন্ধ। মার্কিন কুয়েত, কাতার, ইরাকের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। গত রবিবার সকাল থেকেই ইজরায়েলে ঘনঘন বাজছে সাইরেন। এদিকে, খামেনেই বদলা নেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেস্কিয়ান। এমতাবস্থায় রবিবার রাতেই জরুরী বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সূত্রের খবর, মোদীর বৈঠকে ইরান-ইজরায়েল সহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানো, যুদ্ধে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ইত্যাদি একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষেই প্রথমে আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সাথে কথা বলেন। এরপর ফোন করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে।
ফোনালাপের কথা সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন মোদী লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। এবং বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়েছি এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছি। যত দ্রুত সম্ভব এই যুদ্ধ বন্ধ করার কথাও জানানো হয়েছে ভারতের তরফে।’