শুক্রবার ভোররাত থেকে ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে। হামলা পাল্টা প্রত্যাঘাতে আগুন জ্বলছে দুই দেশের সীমান্তে। এমতাবস্থায় পাকিস্তানকে 'সবক' শেখাতে মোক্ষম ফাঁদ পেতেছে কাবুল। একা...
শুক্রবার ভোররাত থেকে ব্যাপক যুদ্ধ শুরু হয়েছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে। হামলা পাল্টা প্রত্যাঘাতে আগুন জ্বলছে দুই দেশের সীমান্তে। এমতাবস্থায় পাকিস্তানকে 'সবক' শেখাতে মোক্ষম ফাঁদ পেতেছে কাবুল। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এবার পাক সেনাকে পরাজিত করতে 'সুইসাইড স্কোয়াড' সক্রিয় করেছে আফগানিস্তান। এর আগেও সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আমেরিকাকে দেশ ছাড়া করতে এই পন্থা অবলম্বন করেছিল কাবুল।
আফগানিস্তানের এক সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফিদায়েঁ হামলার পরিকল্পনা নিয়েছে তালিবান সরকার। নিরাপত্তাবাহিনীর একটি সূত্র উল্লেখ করে ওই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শীর্ষ মহলের নির্দেশ পেলেই যেকোন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গাড়ি বোমা ও আত্মঘাতী হামলা চালাবে যোদ্ধারা। পাশাপাশি তালিবানের অন্যতম মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরত জানান, ডুরান্ড লাইন অর্থাৎ পাকিস্তানের সঙ্গে লাগোয়া বিতর্কিত সীমান্ত এবং খোস্ত প্রান্তে জবাবি হামলা শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই উত্তেজনা ছড়ায় পাক-আফগান সীমান্তে। এরপরেই 'অপারেশন ঘাজাব লিল হক' নামে কাবুলের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে ইসলামাবাদ। সেই সংঘর্ষে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করে তালিবান সরকার। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ পাকিস্তান। তাদের দাবি সংঘর্ষে ২ জন পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। উল্টে পাকিস্তানের হামলায় ৩৬ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ। অন্যদিকে দুই দেশকেই সংযত হওয়ার সতর্কতা দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।