ভয়াবহ হামলা ইরানে। শনিবার সকালে পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরান।একাধিক ইরানি মিসাইল মাঝআকাশেই ধ্বংস করে ইজরায়েল। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। এরই মধ্যে হামলার প্রথম ছবি এবং ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করল ইজরায়েল। য...
ভয়াবহ হামলা ইরানে। শনিবার সকালে পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে ইরান।একাধিক ইরানি মিসাইল মাঝআকাশেই ধ্বংস করে ইজরায়েল। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। এরই মধ্যে হামলার প্রথম ছবি এবং ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ করল ইজরায়েল। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি সিএন ডিজিট্যাল।
ইজরায়েল ডিভেন্স ফোর্স (আইডিএফ) একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছে। সেই ভিডিয়ো শেয়ার করে ইজ়রায়েল দাবি করেছে, আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইরানের বহু জায়গা। আইডিএফ আরও দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের দফতর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। যদিও তা কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
হামলার পর ইজরায়েল জুড়ে সাইরেন বাজানো হয়। সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল বন্ধ, জনসমাবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং অপ্রয়োজনীয় পরিষেবা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পরামাণু প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে একটা সংঘাত চলছে। এর আগের বারংবার তেহরানকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, ইরান যদি পরমাণু প্রকল্প নিয়ে নমনীয় মনোভাব না দেখায়, তা হলে ফল ভুগতে হবে। সেই হুঁশিয়ারির মধ্যেই এবার তেহরানে হামলা চালাল ইজ়রায়েল।
যদিও এই হামলা ইজরায়েল নিজে থেকে চালায়নি। আমেরিকার নির্দেশেই হামলা করেছে তেহরানে। ইরানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। সংঘর্ষ দূর করতে সম্প্রতি কয়েক দফা বৈঠকেও বসেছিল আমেরিকা এবং ইরান। কিন্তু তাতেও কোনও সুরাহা মেলেনি। চলতি সপ্তাহেই পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে ফের এক দফা বৈঠকে বসার কথা রয়েছে আমেরিকার।