আগামী আরও চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ সামরিক হামলা চলতে পারে ইরানে! রবিবার রাতে (আমেরিকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী) এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের কাছে এমনটাই ইঙ্গিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে...
আগামী আরও চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ সামরিক হামলা চলতে পারে ইরানে! রবিবার রাতে (আমেরিকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী) এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের কাছে এমনটাই ইঙ্গিত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে ইজরায়েলের হামলায় আমেরিকা তাদের পাশে থাকবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
জানা যাচ্ছে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ওই ছয় মিনিটের কথোপকথনে ট্রাম্প ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ইরানের পরবর্তী নেতা হিসেবে তিন জনকে বেছে রাখা হয়েছে। যদিও সেই নাম এখনই প্রকাশ্যে আনতে নারাজ মার্কিন প্রধান। তাঁর কথায়, 'আগে কাজ হোক, তারপর সেই তিন নাম জনাব।' যদিও কীভাবে এই মুহূর্তে ইরানের শাসনভার হস্তান্তর হবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।
অন্যদিকে গত শনিবার তেহরানে হামলা চালিয়ে সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই'কে হত্যা করেছে মার্কিন-ইজরায়েল সেনা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমেই ক্ষোভের আগুন বাড়ছে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোয়। মার্কিন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা প্রতিঘাত শুরু করেছে তেহরান। যার ফলে বিপর্যস্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, বাহরিন, সৌদি আরবের মতো দেশগুলিতে। উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইরানে ক্ষমতার হস্তান্তর নিয়ে কী ভাবছেন তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সেনা অবস্থান বদল করে দেশের জনগণের কাছে আত্মসমর্পণ করবে বলে আশাবাদী আমেরিকা। তবে যদি তা না হয়, সেক্ষেত্রে ভেনেজুয়েলার মত পরিণতি হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
যদিও এত সহজে মার্কিন শক্তির কাছে মাথানত করতে নারাজ ইরান প্রশাসন। সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর তারা ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, দেশ চালানোর জন্য এবার তিন সদস্যের কাউন্সিল গঠন করা হবে। আর যার সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে আলিরেজা আরাফির নাম। আর সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে তাঁর নাম ঘোষিত হওয়ার পরেই খামেনেই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।