রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তু। দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে মস্কো-কিয়েভ সংঘাত। আদতে কবে থামবে এই সংঘাত, এর উত্তর আজও ধোঁয়াশার মধ্যেই। দুই দেশের সঙ...
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, যা বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনার বিষয়বস্তু। দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে মস্কো-কিয়েভ সংঘাত। আদতে কবে থামবে এই সংঘাত, এর উত্তর আজও ধোঁয়াশার মধ্যেই। দুই দেশের সঙ্গে ট্রাম্প বারবার বৈঠক করলেও থামেনি যুদ্ধ। সেই আলোচনা একপ্রকার নিস্ফলা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, 'আমরা দিনরাত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করছি। কারণ এই হত্যালীলা ও ধ্বংসলীলা বন্ধ করতে চাই। সেটাই দরকার। দিনদিন এই যুদ্ধের ঘটনা একপ্রকার তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনা তৈরি করছে। যা কোনওভাবেই কাম্য নয়। কারণ আমরা কেউ কোনওদিন চাই না যে এটা হোক।'
জানা গিয়েছে, বিগত কিছুদিন আগেই রাশিয়ার সঙ্গে শান্তিচুক্তি প্রসঙ্গে অনলাইনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সেখানেই তিনি জানান, রাশিয়া তাঁদের থেকে জমি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ইউক্রেন এক টুকরো জমিও হাতছাড়া করতে দেবে না। আর সেই কারণেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাঁরা যুদ্ধে নেমেছেন বলেও জানিয়েছেন। জেলেনস্কি বলেন, 'আইনিভাবে আমার কোনও অধিকার নেই দেশের জমি কাউকে দিয়ে দেওয়ার। ইউক্রেনের আইন, আমাদের সংবিধান, আন্তর্জাতিক আইন এবং সত্যি বলতে আমার নৈতিক অধিকারই নেই এই কাজ করার।'
অন্যদিকে যুদ্ধ থামাতে রাশিয়াকে কিছুটা জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ইউক্রেনকে চাপ দিতে শুরু করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ট্রাম্পের এই চাপ জেলেনস্কিকে কোনোভাবেই নোয়াতে পারবে না বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তারই মাঝে সম্প্রতি সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের বার্তা, রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারছি না। তবে আশা করছি খুব তাড়াতাড়িই সদর্থক কিছু একটা ঘটতেই পারে।' তবে এই বিষয়ে মস্কো ও কিয়েভের তরফ থেকে এখনও কিছু জানান হয়নি।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আদতে কবে থামবে? এমন প্রশ্ন উঠেলেও গোটা বিষয়টি এখনও ধোঁয়াশার মধ্যেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিকবার বৈঠক। তবে আদতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। দুই দেশই হামলার ঝাঁজ বাড়িয়ে চলেছে। কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা। রাতভর ড্রোন-মিসাইল হামলা চালিয়েছে পুতিনের দেশ। গোটা ঘটনায় আহত-নিহতের সংখ্যাও বেড়েছে!