আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে 'সবুজ ফাইল' নিয়ে বেরোনোর পর সোজা সংস্থার সল্টলেকের দফতরে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানেও দেখা গেল প্রায় একই ছবি। গোছা গোছা ফাইল, নথি নিয়ে নিয়...
আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে 'সবুজ ফাইল' নিয়ে বেরোনোর পর সোজা সংস্থার সল্টলেকের দফতরে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানেও দেখা গেল প্রায় একই ছবি। গোছা গোছা ফাইল, নথি নিয়ে নিয়ে অফিসের ভিতর থেকে বেরিয়ে এলেন পুলিস কর্মীরা। এবং তা সোজা গিয়ে তোলা হল মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে। আর সেই গাড়িকে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঘিরে রাখলেন রাজ্য পুলিস বাহিনী। এমনকি ঘটনাস্থলে মোতায়েনও করা হল ব়্য়াফ। সব মিলিয়ে বৃহস্পতির সকালে এক বেনজির দৃশ্য দেখল রাজ্য তথা দেশ।
বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সংস্থার অফিসে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। তার ঘন্টা খানেকের মধ্যেই প্রতীকের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। সেখান থেকে তাঁকে কিছু ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর মুহূর্তেই তিনি পৌঁছে যান সল্টলেকে আইপ্যাক দফতরে। এদিন তাঁর সঙ্গেই উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা, ডিজি রাজীব কুমার ও দলের স্থানীয় নেতারা। রয়েছন মন্ত্রী সুজিত বসুও। আজ দীর্ঘক্ষণ সেক্টর ফাইভের ১১ তলায় থাকার পর নীচে নেমেই কেন্দ্র এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেন মমতা।
বলেন, 'আমরা রেজিস্ট্রার্ড রাজনৈতিক দল। আমরা ইনকাম ট্যাক্স সম্পূর্ণ করি। ফাঁকা অফিসে হানা দিয়েছে ইডি। এভাবে পার্টি অফিসে ঢোকা যায় না। তাঁরা কী ভেবেছে গায়ের জোরেই সব করবে? সব মানি পাওয়ার আর মাসেল পাওয়ার!' তাঁর সংযোজন, 'এটা অপরাধ, অসাংবিধানিক। ভোটের আগেই ইডি হাজির হয়। কোথায় বিজেপিকে তো এমন হেনস্থা করা হয় না! ওরা তো গুন্ডা। এটা গণতন্ত্রের হত্যা।' একইসঙ্গে ইডির বিরুদ্ধে তৃণমূলের তথ্য চুরির অভিযোগ তোলেন তিনি। ভোটের কৌশল চুরি করার অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি SIR ইস্যুকে হাতিয়ার করেও এদিন কেন্দ্রকে তুলোধোনা করেন তিনি। বলেন, 'ইচ্ছা করে সবাইকে হয়রানি করা হচ্ছে। যাকে খুশি নোটিশ পাঠিয়েছে কমিশন। জয় গোস্বামীকে নোটিশ পাঠান হয়েছে! তথ্য লুঠ, ভোটার লুঠ, বাংলা লুঠ' এরপরেই তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, 'বাংলা জিততে চাইলে ময়দানে নেমে লড়াই করুন।