আগত বিধানসভা নির্বাচনে 'শূন্য' তকমা ঘোঁচাতে বদ্ধ পরিকর সিপিআইএম। তাই ভোট জিততে ফের 'জোট'-কেই হাতিয়ার করেছে বাম শিবির। সেই সূত্রেই গত বৃহস্পতিবারের পর আজ, মঙ্গলবার ফের আইএফএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে বৈ...
আগত বিধানসভা নির্বাচনে 'শূন্য' তকমা ঘোঁচাতে বদ্ধ পরিকর সিপিআইএম। তাই ভোট জিততে ফের 'জোট'-কেই হাতিয়ার করেছে বাম শিবির। সেই সূত্রেই গত বৃহস্পতিবারের পর আজ, মঙ্গলবার ফের আইএফএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে আলিমুদ্দিনে। এদিন সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিপিএমের রাজ্য সদর দফতর, আলিমুদ্দিনে গিয়ে পৌঁছান আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকী। এরপর শুরু হয় দু-পক্ষের বৈঠক। তবে আজকের এই মুখোমুখি আলোচনায় আদৌ কোন রফাসূত্র বেরোয় কিনা, তা নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল।
বস্তুত, গত বৃহস্পতিবারও বৈঠক হয় দুই দলের নেতাদের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নওশাদ, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম এবং বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সেই দীর্ঘক্ষণের বৈঠকে আসন রফার জট বেশ কিছুটা কেটেছিল বলে পরে জানা যায়। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি দুই দলের কেউই। তবে সংখ্যা এবং নির্দিষ্ট কয়েকটি আসন নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে। আর সেই জটিলতা মেটাতেই আজকের এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, নওশাদ ৪৫টির মতো আসন দাবি করেছেন। তবে আইএসএফ-কে ২৫টির বেশি আসন ছাড়া সম্ভব না বলে পরিষ্কার জানিয়েছে সিপিএম। তবে আজকের এই বৈঠকে সেই সংখ্যা নিয়ে দর কষাকষি চলতে পারে বলে অনুমাণ। জানা যাচ্ছে, মূলত যে ১৩টি আসন নিয়ে এখনও জটিলতা রয়েছে, তার মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একাধিক সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসন। এই অবস্থায় আইএসএফ মনে করছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় সিপিআইএমের বদলে তাদের প্রার্থী দিলেই বেশি ভোট পাওয়া যাবে। এর মধ্যে আইএসএফের দাবি অনুযায়ী উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রায় আটটি আসন রয়েছে।