ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ইআরও অফিসারদের উদ্দেশ্যে কমিশন...
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম! এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ইআরও অফিসারদের উদ্দেশ্যে কমিশনের নির্ধারিত বিধি লঙ্ঘন করে কিছু নির্দেশ দিয়েছেন। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট করে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী কথায়, এই নির্দেশটি সম্পূর্ণ অনৈতিক। যা তৃণমূল কংগ্রেসের মদতে সংগঠিত হচ্ছে। "দয়া করে আপনার দলকে সচেতন করুন যে এখন থেকে কোনও পরিস্থিতিতেই 'NOT VERIFIED' বিকল্পে ক্লিক না করতে। কোনও বিভ্রান্তির ক্ষেত্রে, দয়া করে আমার বা OC নির্বাচনের সাথে বিষয়টি উত্থাপন করুন। প্রতিদিন ৩০০০ যাচাইকরণের লক্ষ্যমাত্রা যে কোনও পরিস্থিতিতে পূরণ করতে হবে।"

শুভেন্দু আরও অভিযোগ করে বলেন, এটি যাচাই প্রক্রিয়াকে জালিয়াতি করার জন্য সরাসরি অবৈধ আদেশ ছাড়া আর কিছুই নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের নির্দেশে অযোগ্য ভোটারদের সুরক্ষা এবং আশ্রয় দেওয়ার জন্য তালিকায় পরিকল্পিত ভাবে ভুয়া এন্ট্রিগুলিকে সুরক্ষিত করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা প্রশাসনকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে । ভারতের নির্বাচন কমিশনের একটি পরিষ্কার এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকার আদেশকে নষ্ট করার জন্য। তাঁরা ভীত যে, প্রকৃত SIR তাদের দীর্ঘস্থায়ী নির্বাচনী জালিয়াতি প্রকাশ করবে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে, এই ধরণের আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক চাপ কৌশলের ধরণটি অবিলম্বে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিবেচনা করা হোক। এডিএম এবং এই অবৈধ নির্দেশাবলী জারি বা অনুসরণের সাথে জড়িত অন্যান্য কর্মকর্তাদের ভূমিকার একটি উচ্চ-স্তরের তদন্ত শুরু করা হোক এবং শাসকদলের নির্দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংসকারী সমস্ত ভুল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক এবং আইনি ব্যবস্থার দাবি জানান শুভেন্দু অধিকারী।