রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে বদলি! এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ রায়দান স্থগিত রাখলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের দাবি, নির্বাচ...
রাজ্যের আইএএস ও আইপিএস আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে বদলি! এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ রায়দান স্থগিত রাখলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
রাজ্যের দাবি, নির্বাচন একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থা। নিঃসন্দেহে এটার গুরুত্ব বেশি। কিন্তু সেই কারণে সরকারি উচ্চপদস্থ দায়িত্বে থাকা অফিসারদের বদলি কখনোই কাম্য নয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আছে জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে কমিশনকে নজর রাখতে হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শুনানি শেষ রায়দান স্থগিত রাখল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।
ভোটের মুখে রাজ্যে বড় প্রশাসনিক রদবদল করল নবান্ন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে একাধিক আইএএস অফিসারকে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ‘রিটার্নিং অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। শুক্রবার জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বদলি হওয়া সমস্ত আধিকারিকদের অবিলম্বে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মইন আহমেদকে জলপাইগুড়ির সদর মহকুমায় এসডিও ও রিটার্নিং অফিসার করা হয়েছে। শ্রী রবি কুমার মীনা আলিপুরে, রবি রঞ্জন হাওড়ায় এবং প্রিয়দর্শিনী এস হুগলিতে দায়িত্ব পাচ্ছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, কাঁথি ও এগরাতেও নতুন করে এসডিও-দের উপর নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
এছাড়াও, আসানসোল পুরনিগমের কমিশনার একম জি সিংহকে পশ্চিম মেদিনীপুরে এডিএম (এলআর) পদে এবং নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সিইও আবদুল সাহিদকে একই জেলায় এডিএম (ডেভেলপমেন্ট) হিসেবে পাঠানো হয়েছে। বাঁকুড়ায় এডিএম হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রিয়দর্শিনী ভট্টাচার্য। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ভোট প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু রাখতে এই রদবদল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন মেনেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।