দুর্ঘটনা না ঘটা অবধি কি হুঁশ ফিরবে না প্রশাসনের। শহরজুড়ে উঠে আসছে একের পর এক হেলে পড়া বহুতলের সন্ধান। এবার হেলে পড়া বহুতলের খোঁজ মিলল বিধাননগর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে সুকান্তনগরে। একটি নয় বরং একাধিক ...
দুর্ঘটনা না ঘটা অবধি কি হুঁশ ফিরবে না প্রশাসনের। শহরজুড়ে উঠে আসছে একের পর এক হেলে পড়া বহুতলের সন্ধান। এবার হেলে পড়া বহুতলের খোঁজ মিলল বিধাননগর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে সুকান্তনগরে। একটি নয় বরং একাধিক বহুতল হেলে পড়েছে এখানে। প্রত্যেকটি বিল্ডিং-এর কার্নিশ ছুঁয়েছে তার পার্শ্ববর্তী বিল্ডিং-এ। বিপজ্জনক অবস্থা। বহুতলগুলির নীচে রয়েছে দোকানপাট। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন ওই অঞ্চলে আগে মাছের ভেড়ি অর্থাৎ জলাভূমি ছিল। সেখানে দোতলার বেশি উঁচু বাড়ি বানানোর নিয়মই নেই। সেসবের তোয়াক্কা না করেই গজিয়ে উঠেছে গগনচুম্বী বহুতল।
গত কয়েকদিনে একাধিক হেলে পড়া বহুতলের সন্ধান শহরজুড়ে। তার মধ্যে রয়েছে ক্রিস্টোফার রোড, দঃ দমদম পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৫৬ নম্বর জেমস লং সরণি, কলকাতা পুরসভার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের কসবা, ৬বি/৬৪ নং মুকুন্দপুর কলকাতা ৯৯, কলকাতা পুরসভার ৯৯নং ওয়ার্ডের কালিকাপুর হ্যাদার হাট, এক্সাইড মোড়ের চৌরঙ্গি রোড, কলকাতা পুরসভার ৬৭নং ওয়ার্ডের বেদিয়াডাঙা মসজিদ বাড়ি লেন, কলকাতা পুরসভার ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে এন্টালির ছাতুবাবু লেন, বরাহনগরের বিদ্যায়তন সরণি, বাঘাযতীন, ট্যাংরা ও বাগুইআটি। এছাড়াও আরও অনেক বাড়িরই এমন দশা। পরিসংখ্যান দেখে মানুষের চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
এতো উদাসীনতা? একটি শহরের নির্মাণের খতিয়ানের যদি এতো গাফিলতি তাহলে বৃহত্তর ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসন দেবে কীভাবে? আতঙ্কে দিন কাটছে গ্যাঁটের কড়ি খরচ করে যাঁরা ওই বাড়ি কিনে বাস করছেন। অন্য কোথাও যাওয়ার সামর্থ্যও নেই হয়তো বেশিরভাগেরই। স্বাভাবিকভাবেই নিয়তি মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু প্রশাসন সজাগ হলে চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো, আসলে সদিচ্ছার অভাব। বলছেন নিন্দুকেরা।