মেসি বিশৃঙ্খলায় মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। একথা সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন ডিজি রাজীব কুমার।'শতদ্রু দত্ত চিটার' স্লোগান তুলে ক্ষোভ প্রকাশ যুবভারতীর দর্শকদের। চড়া দামে টিকিট কেটেও মে...
মেসি বিশৃঙ্খলায় মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। একথা সাংবাদিক সম্মেলন করে জানালেন ডিজি রাজীব কুমার।
'শতদ্রু দত্ত চিটার' স্লোগান তুলে ক্ষোভ প্রকাশ যুবভারতীর দর্শকদের। চড়া দামে টিকিট কেটেও মেসিকে মন ভরে দেখতে পাননি জনতা। নির্ধারিত সময়ের আগেই মেসিকে মাঠ থেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ দর্শকদের। এমনকি টিকিট বিক্রি নিয়েও বহু ক্ষেত্রে গরমিল হয়েছে বলে খবর মিলছে। এই অবস্থায় শতদ্রু দত্ত-সহ বাকি আয়োজকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দর্শকরা। তবে কে এই শতুদ্র দত্ত? জানা যাচ্ছে এই শতদ্রু দত্তই হল মেসিকে কলকাতায় নিয়ে আসার প্রধান আয়োজক। ফলে স্বপ্নের খেলোয়াড়কে ঠিক মত দেখতে না পেরে তাঁর বিরুদ্ধে 'চিটার' স্লোগান তুলে সরব হয়েছেন মাঠ ভর্তি দর্শক।
নির্ধারিত সময় মতোই শনিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এসেছিলেন মেসি। খেলোয়াড়ের নিরাপত্তায় বজ্র আঁটুনি ব্য়বস্থা ছিল গতকাল থেকেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঘটে অঘটন। কার্যত নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায় যুবভারতীর মাঠে। দর্শক আসন থেকে উড়ে আসে একের পর এক বোতল। পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করতে থাকেন কয়েক হাজার জনতা। পোস্টার ছিড়ে শুরু হয় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা। এমতাবস্থায়, মেসিকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দরের দিকে রওনা হয় খেলোয়াড়ের গাড়ি।
অন্যদিকে উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে মাঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামান হয় রাফ। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে শুরু হয় লাঠিচার্জ। দর্শক আসনের সোফায় আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জনতার বিরুদ্ধে। যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলার খবর পেয়ে মাঝপথ থেকেই ফিরে যায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় না মমতার। কলকাতা থেকে ফিরে যান অভিনেতা শাহরুখ খানও। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় সকল ক্রীড়াপ্রেমীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।