আরজি কর কাণ্ডে ধৃত পানিহাটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে'কে কলকাতায় আনল পুলিস। গত বুধবার গভীর রাতে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। এরপর ট্রানজিট রিমান্ডে সোমনাথ'ক...
আরজি কর কাণ্ডে ধৃত পানিহাটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে'কে কলকাতায় আনল পুলিস। গত বুধবার গভীর রাতে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। এরপর ট্রানজিট রিমান্ডে সোমনাথ'কে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে আনা হয় তাঁকে।
দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন সোমনাথ। ওড়িশা,হায়দ্রাবাদ-সহ একাধিক রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। বদল করেছিলেন একাধিক ফোন নম্বর। এরপর বেঙ্গালুরুতে পালিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছায় খড়দহ থানার পুলিস। মধ্যরাতে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতাল থেকে মৃত দেহ পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে তড়িঘড়ি সৎকার করার নেপথ্যে সোমনাথের ভূমিকা ছিল। নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, মৃত দেহের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে জোর করে সই করান হয়েছিল। এবং প্রভাব খাটিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে এর আগে ওড়িশা থেকে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ ও প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা নির্যাতিতার প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল পুলিস।
সূত্রের খবর, গতকাল রাতে সোমনাথ দে-কে বিমানে করে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। কলকাতা নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে খড়দহ থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পুলিস। যদিও বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি ধৃত প্রাক্তন চেয়ারম্যান। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া নির্দেশের পর পুলিসের এই তৎপরতা চূড়ান্ত আকার নিয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।