আরজি কর কাণ্ডে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত সোমনাথ দে-কে ঘিরে উত্তেজনা ব্যারাকপুর আদালতে। পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে আজ, শুক্রবার ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হয়। এরপর তাঁকে খড়দহ থানা থেকে ব্যাকপু...
আরজি কর কাণ্ডে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত সোমনাথ দে-কে ঘিরে উত্তেজনা ব্যারাকপুর আদালতে। পানিহাটি পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে আজ, শুক্রবার ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় আনা হয়। এরপর তাঁকে খড়দহ থানা থেকে ব্যাকপুর আদালতে নিয়ে যায় পুলিস। কিন্তু মাঝপথে শুরু হয় উত্তেজনা। আদালতে চত্বরে গাড়ি থেকে নামতেই সোমনাথকে ঘিরে ওঠে 'চোর' স্লোগান। চলে কয়েক দফা ডিম-থেরাপি।
আরজি কর কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন সোমনাথ। গত বুধবার গভীর রাতে বেঙ্গালুরু থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার বিশেষ তদন্তকারী দল। এর আগে ওড়িশা, হায়দ্রাবাদ-সহ একাধিক রাজ্যে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। বদল করেছিলেন একাধিক ফোন নম্বর। কিন্তু গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বুধবার মধ্যরাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর আইনি পদ্ধতি মেনে ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় ফিরিয়ে আনে পুলিস। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে আনা হয় প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে।
অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক তরুণীর মৃত দেহ পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে তড়িঘড়ি সৎকার করার নেপথ্যে সোমনাথের ভূমিকা ছিল। নির্যাতিতা তরুণীর পরিবারের অভিযোগ, মৃত দেহের ডিসচার্জ সার্টিফিকেটে জোর করে সই করান হয়েছিল। এবং প্রভাব খাটিয়ে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাও হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে এর আগে ওড়িশা থেকে পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ ও প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা নির্যাতিতার প্রতিবেশী সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল পুলিস। কিন্তু পলাতক ছিলেন সোমনাথ। অবশেষে তাঁকেই নিজেদের জালে ধরল পুলিস।