তৃণমূলের আরও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর পড়ল পুলিসের। ইতিমধ্যেই সেগুলো 'ফ্রিজ' করে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে পুলিস। বিধাননগর সাইবার থানায় তৃণমূলের ঋতব্রত শি...
তৃণমূলের আরও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নজর পড়ল পুলিসের। ইতিমধ্যেই সেগুলো 'ফ্রিজ' করে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে পুলিস।
বিধাননগর সাইবার থানায় তৃণমূলের ঋতব্রত শিবিরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের করা এফআইআরের তদন্তের সূত্রেই এই পদক্ষেপ। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আগে তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে তৃণমূলের। যেখানে কয়েকশো কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে দলের নামে। তবে সেই টাকার উৎস কী, তা জানতে তদন্ত করছেন আধিকারিকরা। এমতাবস্থা সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। সেই মামলায় বৃহস্পতিবার কিছুটা স্বস্তির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
গতকাল আদালতের তরফে নির্দেশ দিয়ে জানান হয়েছে, আপাতত ওই ফ্রিজ থাকা অ্যাকাউন্টের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে তারা। তবে সেক্ষেত্রে মানতে হবে আদালতের নিয়ম। সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে লেনদেন করতে পারবেন না তারা। বদলে হাইকোর্টের এক প্রাক্তন বিচারপতিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর তত্বাবধানেই লেনদেন করতে পারবে কালীঘাট শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ফের নতুন করে তৃণমূলের ১২টি অ্যাকাউন্ট 'ফ্রিজ' করার নির্দেশ দিয়েছে পুলিস। দুই দফায় 'ফ্রিজ' করা অ্যাকাউন্টগুলিতে সব মিলিয়ে এক হাজার কোটিরও বেশি অর্থ রয়েছে বলে পুলিস সূত্রে দাবি।