আনন্দপুরের অকুস্থলে যেতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গড়িয়া শিতলামন্দির থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত মিছিল করতে চায় বিজেপি। কিন্তু ইতিমধ্যেই পুলিস সেখানে ১৬৩ ধারা জারি করেছে । ফলে শুভেন্দুর আ...
আনন্দপুরের অকুস্থলে যেতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গড়িয়া শিতলামন্দির থেকে ঘটনাস্থল পর্যন্ত মিছিল করতে চায় বিজেপি। কিন্তু ইতিমধ্যেই পুলিস সেখানে ১৬৩ ধারা জারি করেছে । ফলে শুভেন্দুর আনন্দপুরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা পরে। এই ঘটনায় যারপর নাই ক্ষুব্ধ বিরোধী দলনেতা। তিনি জানান 'প্রশাসন ভয় পেয়েছে'। এরপরই তিনি বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু। মামলা দায়েরের অনুমতি চাইলে মামলা দায়ের -এর অনুমোদন দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের।
পুলিসের নির্দেশ অনুযায়ী, নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত নাজিরাবাদ এলাকায় ১০০ মিটারের মধ্যে পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নরেন্দ্রপুর থানার আইসি-র আবেদনের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত (সুয়ো মোটো) ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রমাণ লোপাট, তদন্তে বাধা কিংবা উদ্ধারকাজে অসুবিধার আশঙ্কা রয়েছে বলেই এই নিষেধাজ্ঞা বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসন। সে কারণেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে প্রশাসনের এই নির্দেশ সামনে আসার পরই রাজ্যকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, "আসলে ১৬৩ ধারা জারির নামে প্রশাসন বিজেপিকে আটকাতে চাইছে। ওরা আমাদের ভয় পাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেলে, প্রকৃত সত্য সামনে চলে আসবে, তাই তথ্য ধামাচাপা দিতে প্রশাসনের এই সক্রিয়তা।" এরপরই বিচার চাইতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।