৫৯ জন বিধায়কের সই সম্বলিত চিঠি নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি হাজির হচ্ছেন দলের অন্যান্য বিধায়করাও। উপস্থিত হয়েছেন অরূপ রায়, শিউলি সাহা-সহ একাধিক। হাজির হয়েছেন সা...
৫৯ জন বিধায়কের সই সম্বলিত চিঠি নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি হাজির হচ্ছেন দলের অন্যান্য বিধায়করাও। উপস্থিত হয়েছেন অরূপ রায়, শিউলি সাহা-সহ একাধিক। হাজির হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিনও। এদিন তিনি বিধাসভায় প্রবেশের আগে বলেন, 'আমরা বিরোধী দলনেতা বাছতে এসেছি।' বলে রাখা ভালো, তৃণমূলের 'বেসুরো' বিধায়কদের সম্প্রতি দলের কোনও কাজে বা তৃণমূল নেত্রীর ধর্না মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। ফলে দলের অন্দরে যে ভাঙন শুরু হয়েছে তা একপ্রকার স্পষ্ট।
গত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূলের অন্দরে জাল সইকাণ্ড নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। যার জেরে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে এখনও কারও নামে সিলমোহর দেননি স্পিকার রথীন্দ্র বসু। এমতাবস্থায় তৃণমূলের অন্দরের ভাঙন নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয় রাজনীতিতে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়া তৃণমূল দলটা কী তবে দু-ভাগে ভাগ হবে? এই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার কলকাতায় নেই বলে সেই চিঠি অবশ্য বিধানসভায় গ্রহণ করা হয়নি।
বলে রাখা ভালো, গত সোমবার ঋতব্রত এবং সন্দীপনকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। বহিষ্কৃত দুই বিধায়কের দাবি, গত ৬ মে-র বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছার কোনও রেজোলিউশন হয়নি। তাঁদের দাবি, উপস্থিতির খাতায় করানো সইকে জালিয়াতি করে সেটা রেজোলিউশনে বদলে দিয়েছেন নেতৃত্ব। বিধানসভার সই জাল-কাণ্ডে সোমবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। তখন তিনি জানান, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপনই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্পিকারের কাছে।