ভোলা ঘোষের গাড়ি 'দুর্ঘটনা' এবং ঘটনাচক্রে সেদিনই আদালতে মামলার সাক্ষীদান। গোটা ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বিভিন্ন মহল। কারণ ন্য়াজাট মামলায় এই ভোলা ঘোষ হল অন্যতম একজন সাক্ষী।...
ভোলা ঘোষের গাড়ি 'দুর্ঘটনা' এবং ঘটনাচক্রে সেদিনই আদালতে মামলার সাক্ষীদান। গোটা ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে বিভিন্ন মহল। কারণ ন্য়াজাট মামলায় এই ভোলা ঘোষ হল অন্যতম একজন সাক্ষী। এবার কার্যত এই একই ঘটনার ছায়া পড়ল কাঁকুড়গাছি বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের খুনের ঘটনায়। কারণ এক্ষেত্রেও সাক্ষীর নিরাপত্তা বড়সড় প্রশ্নের মুখে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের দিকে দিকে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠে। ওই সময়েই ভোট পরবর্তী হিংসায় বলি হন পূর্ব কলকাতার কাঁকুড়গাছির অভিজিৎ সরকার। পরিবারের অভিযোগ, ফল প্রকাশের পরেই গলায় তার পেঁচিয়ে ও পিটিয়ে খুন করা হয়েছে অভিজিৎকে। প্রথমে নারকেলডাঙা থানার পুলিস এই ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছিল। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে পুলিসের থেকে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে।
অন্যদিকে এই ঘটনার অন্যতম রাজসাক্ষী হলেন মৃতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। কিন্তু গত ২৫শে সেপ্টেম্বর নিজের এবং পরিবারের প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে আশঙ্কা করে আদালতের কাছে 'রাউন্ড দ্য ক্লক সিকিউরিটি'র জন্য আবেদন করেছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে বিশ্বজিৎ সরকার ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আদালত। কিন্তু গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে এক নিরাপত্তা রক্ষীর সঙ্গে গোল বাঁধে সাক্ষী বিশ্বজিতের। অভিযোগ, এক পুলিস কর্মী মদ্যপ অবস্থায় দুর্ব্যবহার করে বিশ্বজিতের সঙ্গে। এমনকি নিজের আগ্নেয়াস্ত্র ফেলে তিনি চলে যান বলেও অভিযোগ ওঠে। জানা যাচ্ছে, ওই পুলিস কর্মীর নাম সুব্রত মল্লিক। কলকাতা পুলিসের ইস্ট সাব-আরবান ডিভিশনের অধীনে কর্মরত তিনি। গতকাল রাতে এই ঘটনার পরেই নারকেলডাঙ্গা থানায় অভিযোগ জানান বিশ্বজিৎ সরকার।