তৃণমূলের ছাত্র যুবদের শর্তসাপেক্ষে মিছিল করার অনুমতি দিল আদালত। বারুইপুর-সহ একাধিক ঘটনার বিরুদ্ধে মিছিল করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি...
তৃণমূলের ছাত্র যুবদের শর্তসাপেক্ষে মিছিল করার অনুমতি দিল আদালত। বারুইপুর-সহ একাধিক ঘটনার বিরুদ্ধে মিছিল করার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি চলাকালীন শর্তসাপেক্ষ অনুমতি দিল আদালত। জানানো হয়েছে, ২ ঘন্টার মধ্যে ১০০০ জন লোক নিয়ে মিছিল শেষ করতে হবে। তবে কোনোভাবেই আমজনতাকে অসুবিধায় ফেলা যাবে না।
বারুইপুরে নাবালিকা খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। যদিও প্রথম থেকেই দ্রুত গতিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও দোষীদের কঠোর শাস্তি হবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর মধ্যেই গতকাল, সোমবার গোটা ঘটনার বিরুদ্ধে কালীঘাটে মোমবাতি মিছিল করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ৮ জুলাই রাজপথে নেমে মিছিল করবেন বলে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।
এদিন আদালতের তরফে সেই মিছিলের অনুমতি দিয়ে বলা হয়, মিছিলটি বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শুরু করে হাজরা মোড়ে গিয়ে শেষ করতে হবে। তবে সাধারণ মানুষের জন্য খোলা রাখতে হবে পথ। দুপুর আড়াইটে থেকে মিছিল শুরু করে বিকেল সাড়ে চারটের মধ্যে শেষ করতে হবে। ১০০০ জনের বেশি শামিল হতে পারবে না এই মিছিলে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল জমানায় একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে বাংলা। কখনও হাঁসখালি, কখনও, কামদুনি, কখনও আবার পার্কস্ট্রিট। ২০২৪ সালে গোটা রাজ্য তথা দেশ জুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল আরজি করে ডাক্তার তরুণীর নির্যাতনের ঘটনা। আর প্রত্যেকটি ঘটনাতেই তৎকালীন সরকারের উদাসীনতা নজরে এসেছিল। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধর্ষণের মত ঘটনাকে 'ছোট ঘটনা' বলে মন্তব্য করতেও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু কালের পরিহাস! আজ সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামতে মরিয়া হতে দেখা গেল। যা ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক সমালোচনার 'হট টপিক' হয়ে উঠছে।