মালিক শ্রমিক দন্ধে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ ২৪০ রুটের বাস চলাচল। এই রুটে মোট বাসের সংখ্যা ৪২ টি। শ্রমিক পক্ষের অভিযোগ দীর্ঘ ২ বছর ধরে, লেট ফাইনের নাম করে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের কমিশনের টাকা পুরোটাই আত্মস...
মালিক শ্রমিক দন্ধে মঙ্গলবার থেকে বন্ধ ২৪০ রুটের বাস চলাচল। এই রুটে মোট বাসের সংখ্যা ৪২ টি। শ্রমিক পক্ষের অভিযোগ দীর্ঘ ২ বছর ধরে, লেট ফাইনের নাম করে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের কমিশনের টাকা পুরোটাই আত্মস্মাৎ করছে। মালিক পক্ষ এই টাকা নিজেদের ফান্ডে জমা করে নিচ্ছে বলেই অভিযোগ শ্রমিকদের। ফলে শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্য টাকা পাচ্ছেন না। বারবার শ্রমিক পক্ষ মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেও কোনও সুরাহা হয়নি বলেই দাবি শ্রমিক পক্ষের। ফলে পেটের তাগিদে ধর্মঘটের পথ বেছে নিয়েছেন শ্রমিকরা। কিন্তু শ্রমিক পক্ষের দাবি মঙ্গলবার সকালে ধর্মঘট শুরু করার পর তারা চেয়েছিলেন মালিকপক্ষ তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসলে, এই সমস্যার সমাধান করলে, তারা বুধবার সকাল থেকে বাস পরিষেবা চালু রাখবেন ,যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে মালিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রমিক পক্ষকে জানানো হয় ,যেহেতু মঙ্গলবার সকাল থেকে বাস বন্ধ করেছিল শ্রমিক পক্ষ সেইকারণে বুধবার সকাল থেকে বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেবে মালিক পক্ষ। ফলে শ্রমিক পক্ষের দাবি বুধবার সকাল থেকে মালিক পক্ষের তরফ থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে বাস চলাচল। তারা বাস চলাচল বন্ধ করেনি।
এদিকে অতি ব্যস্ততম রুট এই ২৪০ নম্বর রুট। বাগবাজার থেকে গল্ফগ্রীন পর্যন্ত এই রুটে প্রতি দিন বহু যাত্রী যাতায়াত করেন। ধর্মঘটের ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
এদিন বাস ধর্মঘট তোলার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলর বাপি ঘোষের নেতৃত্বে দীর্ঘক্ষণ আলোচনায় বসেন স্থানীয় কাউন্সিলর বাপি ঘোষ ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে শ্রমিকপক্ষ জানান লেট ফাইনের ব্যাপারটি এক সপ্তাহ জারি থাকবে। তারপর শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া হবে। ফলে শ্রমিকপক্ষের তরফে জানানো হয় শনিবার থেকে ২৪০ রুটের বাস চলাচল চালু করবে তারা। কিন্তু এক সপ্তাহ পর যদি তাদের দাবি পূরণ না হয় , তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তারা। আপাতত ৭ দিনের ডেডলাইন, তারপর ২৪০ রুটের বাস চলাচলের ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই এখন দেখার।