অসীম সেন: ৪ মে স্যাঁতসেঁতে পিচে সূর্যর আলো পড়ল। পিচের জোলো ভাব উধাও হতেই স্ট্রেট ব্যাটে ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে। পাওয়ার প্লে তে রান রেট বাড়িয়ে চলছেন শান্তিকুঞ্জের বড় ছেলে। নতুন সরকারের প্রথম শর্ত, পার্ট...
অসীম সেন: ৪ মে স্যাঁতসেঁতে পিচে সূর্যর আলো পড়ল। পিচের জোলো ভাব উধাও হতেই স্ট্রেট ব্যাটে ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে। পাওয়ার প্লে তে রান রেট বাড়িয়ে চলছেন শান্তিকুঞ্জের বড় ছেলে। নতুন সরকারের প্রথম শর্ত, পার্টি রাজ্য চালাবে না। বিজেপির অন্যায়ও শক্তহাতে দমন করবে সরকার। এমনটা আগে শোনা যায়নি কখনও। কথাটা যে নেহাত হাওয়ায় ওড়ানো নয় তা বোঝাই যাচ্ছে ইতিমধ্যে। নতুন সরকার এরমধ্যে কী এমন ম্যাজিক করেছে? তেমন কিছুই নয়। তবে টেবিলের তলায় ফাইল নিয়ে মুখ লোকাতো যে পুলিশ, তারা আজ রীতিমত সিংহম। অন্তর্বাস পরিয়ে চাটাতে চাটাতে নিয়ে যাচ্ছে দাবাং দাদাকে। সাহসটাই বদলে গিয়েছে নতুন সরকারের জমানায়।
এতদিন ধরে একাধিক অবৈধ নির্মাণ ক্রনিক ক্ষতর মতো মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল শহরে। সেগুলি এক লহমায় গুঁড়িয়ে দেবার সিদ্ধান্ত। সিনেমার নায়করা যেমন করে, ফ্যায়সালা অন দ্য স্পট। ইতিমধ্যেই জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিয়েছে হাইকোর্ট। যতদিন মুঘল সাম্রাজ্য চলেছে ততদিন আলাদা বিষয় ছিল, এখন জাহাঙ্গিরের মাই বাপদেরও আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। শত সহস্র মডেলের ধ্বংসাবশেষ পরে ওরা কাজ করে। মানুষ আজ জেগেছে। আর তাদের ভরসা জোগাচ্ছে নব নির্মিত সরকার।
আগের সরকারের আমলে আর্থিক ভাবে সাহায্যকারী প্রকল্প গুলিকে বন্ধ করেনি নতুন সরকার। বরং একটা সংসারকে আরও মজবুত ভিতের ওপর দাঁড় করাচ্ছে। একশ দিনের মধ্যে বাণিজ্যে নতুন রূপ রেখা দেখা যাবে বলে আশ্বাস মিলেছে ইতিমধ্যেই। বিরোধীরা বলছেন এ সবই হানিমোনেটিক পিরিওডের এফেক্ট। হতে পারে। কিন্তু আর একটা কথা তো জ্ঞানীগুণি মানুষরা বলে এসেছেন এতদিন, মরনিং শো'জ দ্য ডে। আপাতত সেটুকুতেই ভরসা রাখা যাক।